প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চ জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে গুম–খুনে অভিযুক্ত সাবেক–বর্তমান সামরিক কর্মকর্তাদের ‘সেফ এক্সিট’ দেওয়ার কথিত প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানায়। সংগঠনের মুখপাত্র শরিফ উসমান হাদি সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার–বিচারের দাবি জানান। ঘটনাস্থল ও বক্তব্যের সারসংক্ষেপ স্থানীয় গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গুম–খুনের দায়ে অভিযুক্ত ২৮ জনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচার শুরু করতে হবে।
“গুম–খুনে ভারতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে” — এই অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার দাবি (এটি সংগঠনের নিজস্ব দাবি; সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি)।
পিলখানা তদন্ত কমিশন, গুম কমিশন ও আইসিটি প্রসিকিউশনের সঙ্গে যুক্ত সকলকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে হবে।
পিলখানা কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কোনো কাটছাঁট ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে (কমিশনের মেয়াদ সম্প্রসারণ ও রিপোর্ট–সময়সীমা নিয়ে সাম্প্রতিক আপডেট আছে)।
ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেওয়া ৬২৬ জনকে (যাদের বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আগেই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে) ও অন্যান্য পলাতককে ইন্টারপোলের সহায়তায় ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
গত কয়েক দিনে আইসিটি–১ দুই মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে (এর মধ্যে ২৩ জন সামরিক কর্মকর্তা) অভিযোগ গ্রহণ করে; এর বাইরে ৩০ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশ সদরদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে দ্য ডেইলি স্টার, টিবিএস ও বিসিএসএস (BSS) নিশ্চিত করেছে। ইনকিলাব মঞ্চের আজকের ব্রিফিং মূলত এই প্রক্রিয়ার প্রেক্ষিতে দ্রুত গ্রেপ্তার–বিচারের চাপ বাড়ায়।
অন্যদিকে “ক্যান্টনমেন্টে ৬২৬ জনের আশ্রয়” প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর পক্ষে আইএসপিআর মে মাসে জানায়—জুলাই–আগস্ট ২০২৪–এর অস্থিরতার সময়ে মানবিক বিবেচনায় সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল; এটি ‘সেফ এক্সিট’ বা দায়মুক্তি নয়—এমন ব্যাখ্যাও গণমাধ্যমে আসে।
পিলখানা (বিডিআর বিদ্রোহ) তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট–সময়সীমা বৃদ্ধির খবর এবং “দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্র”–সম্পর্কিত পর্যবেক্ষণ সম্প্রতি প্রথিত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; ইনকিলাব মঞ্চ আজ সেই রিপোর্ট নির্বিচ্ছিন্নভাবে প্রকাশের দাবি তোলে।
শরিফ উসমান হাদি (মুখপাত্র, ইনকিলাব মঞ্চ): “অভিযুক্তদের ‘সেফ এক্সিট’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না; দ্রুত গ্রেপ্তার–বিচার চাই।” (সংস্থার দাবি; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ‘সেফ এক্সিট’–সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই)।
গ্রেপ্তার–বিচার: আইসিটি ইতিমধ্যে মামলাদুটি কগনাইজ করে পরোয়ানা পাঠিয়েছে—এখানে পরবর্তী ধাপ গ্রেপ্তার, প্রডাকশন, চার্জ–ফ্রেমিং, সাক্ষ্যগ্রহণ। দ্রুততার প্রশ্নটি এখন কার্যকরী সংস্থার কোর্ট–কমপ্লায়েন্সে।
আন্তর্জাতিক আদালত: অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হলে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ ও এখতিয়ার–স্বীকৃতি জরুরি; আলাদা চুক্তি/সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার জটিল হতে পারে—তাই এটি নীতিগত/কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। (আইনি সাধারণনীতি—উৎস: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এখতিয়ারবিষয়ক মানদণ্ড)।
পিলখানা রিপোর্ট প্রকাশ: সরকারের সময়সীমা–বৃদ্ধি ও “লং–টার্ম কনস্পিরেসি” পর্যবেক্ষণ নিয়ে রিপোর্ট চূড়ান্ত হলে জনসমক্ষে প্রকাশের চাপ বাড়বে; ইনকিলাব মঞ্চের আজকের দাবি এই প্রসঙ্গেই।
৬২৬ জন ফেরত আনা: আইএসপিআরের ব্যাখ্যানুসারে এটি আশ্রয়–তালিকা; কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ থাকলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় (যেমন ইন্টারপোল নোটিশ) ফিরিয়ে আনার পথ খোলা, তবে তা কেস–টু–কেস আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ভরশীল।
The Daily Sun — মধুর ক্যান্টিনে ইনকিলাব মঞ্চের প্রেস কনফারেন্স ও আন্দোলনের ঘোষণা।
The Daily Star / BSS / The Business Standard — আইসিটি–তে ২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ, ৩০ জনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির অগ্রগতি।
TBS / The Daily Observer — “ক্যান্টনমেন্টে ৬২৬” প্রসঙ্গে আইএসপিআরের ব্যাখ্যা।
Prothom Alo (EN) / TBS — পিলখানা কমিশনের পর্যবেক্ষণ ও সময়সীমা–আপডেট।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |