| বঙ্গাব্দ

“বিএনপির আমিনুল হক: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রতিশ্রুতি, ধর্মীয় স্বাধীনতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে”

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 30-09-2025 ইং
  • 8387544 বার পঠিত
“বিএনপির আমিনুল হক: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রতিশ্রুতি, ধর্মীয় স্বাধীনতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে”
ছবির ক্যাপশন: বিএনপির আমিনুল হক

বিএনপির আমিনুল হক: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রতিশ্রুতি, ধর্মীয় স্বাধীনতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে”

🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ


🇧🇩 আমিনুল হক: বিএনপি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর, ধর্মীয় স্বাধীনতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সব ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকা-১৬ আসনের নিজ নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও উপহারসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি

আমিনুল হক বলেন, "বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের যে ৩১ দফার কর্মপরিকল্পনা দিয়েছেন, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দফা হলো ধর্মীয় স্বাধীনতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান।" তিনি আরও জানান, বিএনপি সব ধর্মের উৎসবে সহমর্মিতা প্রকাশ করবে এবং একে অপরের উৎসবকে আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করবে, যা প্রকৃত সম্প্রীতির সমাজ গড়ার পথে সহায়ক হবে।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। যখনই কোনো মন্দিরে হামলা হয়েছে বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রমাণিত হয়েছে- এসব হামলা আওয়ামী লীগ নিজেই করেছে, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিএনপির দূরত্ব তৈরি হয়।"

হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি বিএনপির সহানুভূতি

হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আস্থা এবং সহযোগিতার বার্তা দিয়ে আমিনুল হক বলেন, "আমি কখনও বলব না আপনাদের বিএনপি করতে হবে। তবে আপনাদের সামাজিক, পারিবারিক ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সবসময় পাশে আছি এবং পাশে থাকব।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা কখনও আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা আমাদের ভাই, প্রতিবেশী, বাবা-মা, ভাই-বোন ও সন্তান। বিএনপি আপনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে চায়।"

শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ়প্রত্যয়

আমিনুল হক দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, "বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই এমন এক বাংলাদেশ যেখানে থাকবে না কোনো হানাহানি বা বিশৃঙ্খলা—থাকবে শুধু শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি।"


সূত্রসমূহ

  1. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

  2. শারদীয় দুর্গোৎসব এবং বিএনপির সামাজিক কার্যক্রম

  3. বিএনপির ধর্মীয় স্বাধীনতার কর্মসূচি

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency