গত দুই দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং গেলো বছর একদিনে সর্বোচ্চ ১৬,৪৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড তৈরি হয়েছে। তবে, এই বিপুল উৎপাদনের প্রায় পুরোটাই আসছে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ, যদিও ২০২০ সালে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে মোট জ্বালানির ১০ শতাংশ আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে যথাযথ পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় এবং অর্থব্যয়ে অনিয়মের কারণে অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, সোলার সিস্টেমের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়েছে, যা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী পরিচালক এম জাকির হোসেন খান বলেন, “নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আসা প্রয়োজন। যদি সরকার নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ ২০৪০ বা ৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ করতে চায়, তাহলে প্রতি বছর গড়ে এক থেকে এক দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।”
এছাড়া, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই শক্তির উৎপাদন করতে হলে একটি সুসংহত ফাইন্যান্স রোডম্যাপ ও শক্তিশালী নীতি নির্ধারণ জরুরি।
বাংলাদেশের উচিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে টেকসই শক্তির অমিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করা এবং নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে আস্থা পুনঃস্থাপন করা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |