প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
অধ্যাপক ইউসুফ আলী (১৯২৫–১৯৯০) সবচেয়ে বেশি পরিচিত ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের জন্য। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় সেই ঘোষণার মুহূর্তে তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে যান।
পেশায় তিনি ছিলেন বাংলার অধ্যাপক।
১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তান আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৬৫ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য।
১৯৭০ সালে পুনরায় গণপরিষদে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগের চিফ হুইপ হন।
মুজিবনগর সরকারের সময় তিনি ইউথ কন্ট্রোল বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন।
তাঁর কণ্ঠে পাঠিত ইশতেহার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জুগিয়েছিল।
স্বাধীনতার পর তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা নাটকীয় মোড় নেয়—
বঙ্গবন্ধু সরকারের শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রী।
১৯৭৫ সালে বাকশালের শ্রমমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনী মোশতাকের সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী।
১৯৭৭ সালে আওয়ামী লীগ (মিজান) এর সাধারণ সম্পাদক।
১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের সরকারের শ্রমমন্ত্রী।
১৯৮১ সালে বিচারপতি সাত্তারের সরকারের পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী।
১৯৮২ সালে সাত্তারের অধীনে শিল্পমন্ত্রী।
১৯৮৫ সালে এরশাদের সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী।
অধ্যাপক ইউসুফ আলীর জীবনকে এক কথায় বলা যায় “বিচিত্র রাজনৈতিক অভিযাত্রা”।
একদিকে তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মরণীয় ঘোষক, অন্যদিকে স্বাধীনতার পর প্রায় প্রতিটি শাসক দলের মন্ত্রীসভায় যুক্ত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে মোশতাক, জিয়া, সাত্তার ও এরশাদ—সবার আমলেই তিনি ক্ষমতার অংশীদার হয়েছিলেন।
এ কারণে ইতিহাসবিদরা তাঁকে একদিকে ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক রঙ বদলানো ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
বাংলা পিডিয়া (অধ্যাপক ইউসুফ আলী এন্ট্রি)
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আর্কাইভ
দৈনিক প্রথম আলো, যুগান্তর আর্কাইভস
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |