প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
১৯৫১ সালের ২৯ মার্চ ঢাকায় জন্ম নেন শাফী ইমাম রুমী।
১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিকে স্টার মার্কসহ উত্তীর্ণ হন। ১৯৭১ সালে ভর্তি হন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে তাঁর পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু নিশ্চিত ক্যারিয়ারের পথ ছেড়ে তিনি বেছে নিলেন বিপজ্জনক গেরিলা যুদ্ধ।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রুমী যোগ দেন ঢাকার কিংবদন্তি গেরিলা দল “ক্র্যাক প্লাটুনে”।
তরুণ বয়সে ঘাড় কাত করে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর সেই প্রতিকৃতি আজও মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণার প্রতীক।
রুমীর সেই দৃপ্ত উচ্চারণ—
“মাতৃভূমির অপমান দিনে যদি স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন বেছে নিই, কী জবাব দেবো পরের প্রজন্মকে?”
তাঁর মা জাহানারা ইমামও ছেলেকে বলেছিলেন—
“স্বাধীনতা নিয়ে ফিরিস, নইলে ফিরিস না।”
এই সাহসী মায়ের সন্তান রুমী গেরিলা আক্রমণে নিয়াজির সেনাদের কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।
১৯৭১ সালের আগস্টে রুমী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে ধরা পড়েন। অকথ্য নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী ৩০ আগস্ট আজ পালিত হচ্ছে “শহীদ রুমী দিবস” নামে।
রুমীর জীবন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়।
তিনি দেখিয়ে গেছেন—স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো ক্যারিয়ার নেই।
তিনি প্রমাণ করে গেছেন—হাসিমুখে জীবন দিতে জানে যারা, তারাই জাতির আসল শক্তি।
রুমী শুধু এক শহীদ নন, তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতীক—যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে জানে না।
আজকের দিনে যখন তরুণরা ভালো ক্যারিয়ার, বিদেশি ডিগ্রি বা বিলাসী জীবনের পেছনে ছুটছে, তখন রুমীর ত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
দেশপ্রেম মানে শুধু আবেগ নয়, প্রয়োজনে জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নেওয়া।
রুমীর স্মৃতি কেবল ইতিহাস নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা।
জাহানারা ইমাম, একাত্তরের দিনগুলি
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আর্কাইভ
দৈনিক সমকাল, প্রথম আলো বিশেষ প্রতিবেদন
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |