| বঙ্গাব্দ

গুলশানে সাংবাদিকের কফিশপে ডিএনসিসির অভিযান, ভাঙচুর ও মালামাল জব্দের অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-08-2025 ইং
  • 4300980 বার পঠিত
গুলশানে সাংবাদিকের কফিশপে ডিএনসিসির অভিযান, ভাঙচুর ও মালামাল জব্দের অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: গুলশানে সাংবাদিকের কফিশপে ডিএনসিসির অভিযান

গুলশানে সাংবাদিক মুনজুরুল করিমের কফিশপে ডিএনসিসির অভিযান, ভাঙচুর ও মালামাল জব্দের অভিযোগ

রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় সাংবাদিক মুনজুরুল করিমের অংশীদারিত্বে পরিচালিত কফিশপ ‘ওরোমো’ থেকে মালামাল জব্দ ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে গুলশান-২ এর ল্যান্ডমার্ক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

কফিশপ মালিকদের অভিযোগ

সাংবাদিক ও কফিশপটির অংশীদার মুনজুরুল করিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন—

  • গুলশানের ফুটপাত ও সড়ক দখল করে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো অক্ষত থাকলেও নিয়ম মেনে পরিচালিত বৈধ কফিশপে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়েছে।

  • গুলশান-২ এর রংপুর চায়ের দোকান ও বার্গার কিং-এর গলিপথ পুরোপুরি দখল হয়ে আছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেখানে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

  • “এর পেছনে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে,” মন্তব্য করেন তিনি।

অন্য অংশীদার ও জমির মালিক আসলাম বিশ্বাস বলেন—
“দুই যুগ ধরে বৈধভাবে মার্কেটের পজিশন কিনে ব্যবসা করছি। দোকানটি অবৈধ নয়, আবার ফুটপাতেও নয়। কোনো নোটিশ ছাড়াই অভিযান চালানো হয়েছে।”

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যাখ্যা

অভিযান পরিচালনাকারী ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী যুগান্তরকে জানান—

  • “এটি নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ। শুধু ওরোমো নয়, গুলশানের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে।”

  • “দোকানের কিছু মালামাল ফুটপাতে ছিল, তাই সেগুলো সরানো হয়েছে।”

  • দোকানের সামনে একটি বড় শেড রয়েছে। বৈধ কাগজ দেখাতে পারলে সেটি টিকে থাকবে, অন্যথায় তা সরিয়ে ফেলা হবে।

তবে কতটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে এবং কত টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। এ বিষয়ে ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ থেকে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেন।

প্রেক্ষাপট ও বিতর্ক

  • স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, আশপাশের অনেক ভবনে স্থায়ী শেড থাকলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

  • প্রতিদিন সন্ধ্যার পর গুলশানের সড়কজুড়ে অবাধে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসে, কিন্তু সেখানে সিটি করপোরেশনের কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না।

  • ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিয়ম মেনে পরিচালিত দোকানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে এটি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে।

বিশ্লেষণ

  • এই ঘটনায় সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী ও নিয়ম প্রয়োগে বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

  • ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, নিয়মিত কর প্রদান ও বৈধ অনুমোদন থাকার পরও উচ্ছেদ অভিযান হলে এটি ব্যবসায়িক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

  • অপরদিকে ডিএনসিসি বলছে, তাদের কার্যক্রম ছিল “নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান”, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র

  • ভুক্তভোগী সাংবাদিক মুনজুরুল করিমের ফেসবুক পোস্ট

  • যুগান্তরকে দেওয়া অংশীদার আসলাম বিশ্বাসের বক্তব্য

  • নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর প্রতিক্রিয়া

  • স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency