প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৫
সূত্র: প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন, ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি
ঢাকা:
অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক — বহু পরিচয়ের বাইরে মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার বড় পরিচয়, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে জীবনসায়াহ্নে এসে এই গর্বের পরিচয়পত্রও যেন তাকে কষ্ট দিচ্ছে।
সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
“জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মুক্তিযোদ্ধা সনদ কী কাজে লাগছে? এটি আমাদের সম্মানের প্রতীক ছিল, আজ যেন অপ্রয়োজনীয় এক কার্ড মাত্র!”
৮০-এর ঘরে পা রাখা এ কিংবদন্তি অভিনেতা সম্প্রতি পাঁচ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সোমবার সকালে বাসায় ফেরার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
শারীরিক কষ্ট নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে অবহেলিত হওয়ার যন্ত্রণাই তাকে সবচেয়ে বেশি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে, বললেন তিনি।
“আমরা যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলাম, আমাদের মূল্য এখন কোথায়?”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, হাসপাতালে গেলে বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ যত্ন বা সম্মান কোথায়?
সোহেল রানার গলায় কাঁপা সুরে শোনা গেল এক দীর্ঘশ্বাস:
“২০ বছর পর দেশে হয়তো কোনো মুক্তিযোদ্ধাকেই আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন কি মুক্তিযুদ্ধ কেবল পাঠ্যবই আর স্মৃতিফলকেই থাকবে?”
এই উদ্বেগ শুধু তাঁর নয়, বরং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ইতিহাসবোধের প্রশ্ন।
১৯৭৪ সালে ‘মাসুদ রানা’ চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করলেও, ‘ওরা ১১ জন’-এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র উপহার দেন।
এই সিনেমার প্রযোজক হিসেবে তিনি ইতিহাসের পাতায় অমর।
চলচ্চিত্র জীবনে অর্জন:
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা
অসংখ্য ব্লকবাস্টার ছবিতে অনবদ্য অভিনয়
দেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনে অবিচ্ছেদ্য অবদান
সোহেল রানার বক্তব্য আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, দেশের বহু জীবিত মুক্তিযোদ্ধা আজও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত।
বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই মানুষগুলো হাসপাতালে, রাষ্ট্রীয় কাজে বা সমাজে কতটা যত্ন পান—এই প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক।
প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণ, বিনোদন ডেস্ক
বাংলা ট্রিবিউন – সাক্ষাৎকার (৩০ জুলাই ২০২৫)
ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি – প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |