প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
প্রকাশকাল: ২৭ জুলাই ২০২৫ | সূত্র: ইউটিউব ভিডিও বার্তা
এক বছর পার হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও টেলিভিশন উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন,
“যিনি এই সরকারের নেতৃত্বে আছেন—ড. মুহাম্মদ ইউনূস—তাঁর আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও অতীত সাফল্যের কারণে অনেকে ভেবেছিলেন তিনি একটি সাহসী ও সংস্কারমুখী রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সরকার রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাগ্রস্ত, প্রশাসনিকভাবে ব্যর্থ এবং সাংগঠনিকভাবে দুর্বল।”
জিল্লুর রহমান বলেন,
“২০২৪ সালের রক্তাক্ত জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর মানুষ ভেবেছিল দেশ হয়তো এবার একটি নতুন পথে পা দেবে। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই সেই আশা স্থবিরতায় রূপান্তরিত হয়েছে।”
তিনি মনে করেন, দীর্ঘ দমননীতি, দুর্নীতিবিরোধী প্রতিরোধ ও একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা আজ নিরুত্তাপ।
তিনি বলেন,
“সরকার বলেছিল অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্য গঠন করবে। কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে—সংলাপ হয়েছে, মতবিনিময় হয়েছে, কিন্তু কোনো কাঠামোগত অগ্রগতি নেই। বরং রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, এগুলো ছিল সময় নষ্টের কৌশল।”
জিল্লুর রহমান এটিকে ‘সংলাপ-শিল্প’ বলেও ব্যঙ্গ করেছেন, যেখানে উদ্দেশ্য ছিল শুধু সময় পার করা।
সাবেক নির্বাচন কমিশনারের ওপর প্রকাশ্য হামলা, ছাত্রদের ওপর দমননীতি, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা এবং বিচারবহির্ভূত গণপিটুনির ঘটনা উল্লেখ করে জিল্লুর বলেন,
“রাষ্ট্র নিজেই আজ তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। অপরাধী ধরা পড়ে না, মামলা অগ্রগতি পায় না। বরাবরের মতো দোষ দেওয়া হয় ‘অজানা শক্তি’র ওপর।”
এই পরিস্থিতিকে প্রশাসনের চূড়ান্ত ব্যর্থতা বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।
জিল্লুর রহমান সতর্ক করেন—
“যদি অন্তর্বর্তী সরকারও সাধারণ মানুষের ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে তার নৈতিক ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। জনআস্থা হারানো সরকার সংস্কার তো দূরের কথা, স্থিতিশীলতাও বজায় রাখতে পারবে না।”
ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জিল্লুর রহমান এক কঠোর বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।
এটা কেবল ব্যক্তি ড. ইউনূস নয়, বরং সমগ্র রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যবস্থার ওপর এক করুণ প্রশ্নচিহ্ন।
প্রতিবেদনটি শাসকগোষ্ঠী, প্রশাসন এবং নাগরিক সমাজের কাছে একটি জাগরণের ডাক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |