| বঙ্গাব্দ

আনুপাতিক পদ্ধতি নিয়ে দ্বন্দ্ব: পিআর পদ্ধতিই সমাধান নাকি সংকট?

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 20-07-2025 ইং
  • 3572977 বার পঠিত
আনুপাতিক পদ্ধতি নিয়ে দ্বন্দ্ব: পিআর পদ্ধতিই সমাধান নাকি সংকট?
ছবির ক্যাপশন: পিআর পদ্ধতিই সমাধান নাকি সংকট?

পিআর পদ্ধতি নিয়ে দ্বিধা বিভাজন: নির্বাচন পেছানোর কৌশল, না গণতন্ত্রের দাবি?

সংক্ষিপ্ত সারাংশ (লিড প্যারাগ্রাফ):

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) নির্বাচনব্যবস্থাকে ঘিরে। জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা কয়েকটি দল পিআরের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিলেও বিএনপি এটিকে ‘নির্বাচন বিলম্বিত করার ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি এখন রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির উপকরণে পরিণত হলেও শেষ পর্যন্ত সমাধান আসতে পারে আলোচনা থেকেই।

বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ:

পিআর পদ্ধতির মূল কথা কী?

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে ভোটের ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ হয়। যদি কোনো দল ১০% ভোট পায়, তাহলে সংসদে ৩০টি আসন পাবে (৩০০ আসনের মধ্যে)।

বর্তমান পদ্ধতি: প্রত্যক্ষ ভোটে ব্যক্তি প্রার্থী নির্বাচিত হন।
পিআর পদ্ধতি: ভোট পড়ে দলের পক্ষে, আসন বণ্টন হয় মোট ভোটের অনুপাতে।

জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর অবস্থান:

  • জামায়াত শনিবারের সমাবেশে ঘোষণা দিয়েছে, পিআর না মানলে রাজপথে আন্দোলন হবে।

  • ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদও পিআরের পক্ষে।

  • দাবি: প্রচলিত পদ্ধতিতে জনমতের প্রতিফলন ঘটে না।

জামায়াত নেতার ভাষ্য: “সংসদীয় গণতন্ত্রে মানুষ দলকেই ভোট দেয়। তাই ‘কোয়ালিটি নির্বাচন’-এর জন্য পিআর প্রয়োজন।”

বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি:

  • পিআর পদ্ধতিকে ‘নির্বাচন পেছানোর ফাঁদ’ হিসেবে দেখছে বিএনপি।

  • নেতাদের ভাষ্য, এ ধরনের নতুন ইস্যু এনে নির্বাচনকালীন অচলাবস্থা তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

  • জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন:

    “নির্বাচন সময়মতোই হবে। এসব ইস্যুতে মানুষ বিভ্রান্ত হবে না।”

বিশ্লেষকদের মত:

  • মহিউদ্দিন আহমেদ:

    “এটি ক্ষমতার ভাগাভাগির প্রশ্ন। দলগুলো নিজেদের সুবিধামতো পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।”

  • সালাউদ্দিন বাবর (নয়া দিগন্ত):

    “শেষ পর্যন্ত দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছাবে। মানুষ নির্বাচন চায়।”

আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত:

পিআর পদ্ধতি দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশসহ জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে বহুল ব্যবহৃত।

সামনে কী?

ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলেও এই নির্বাচনী পদ্ধতির বিতর্ক নির্বাচনের পরিবেশকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এখন দেখার বিষয়। সরকার বলছে নির্বাচন হবে সময়মতো, অথচ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না থাকলে অচলাবস্থার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency