প্রকাশকাল: ১৮ জুলাই ২০২৫ | সংবাদদাতা: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রাশিয়া ও গাজা যুদ্ধের উত্তাপে যখন পশ্চিম এশিয়া অস্থির, ঠিক তখনই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইলকে শাস্তি না দিলে এবং পারমাণবিক হামলার ক্ষতিপূরণ না পেলে ‘ঐতিহাসিক প্রতিরোধ’ শুরু হবে। তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকেও এর দায় নিতে হবে।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা ট্রিগারে হাত রেখেই আছি। তবে এবার আমরা আর প্রথম গুলির জন্য অপেক্ষা করব না।”
ইরান সরকারের জ্যেষ্ঠ ওই কর্মকর্তা বলেন—
“যদি ইসরাইল শাস্তি না পায় এবং আমেরিকা ক্ষতিপূরণ না দেয়, তবে আমরা এই অঞ্চলজুড়ে প্রতিরোধের ঐতিহাসিক পর্ব পুনরায় শুরু করব। এবার ভুল হিসাব করলে শত্রুকে তার পরিণাম ভোগ করতে হবে।”
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের উচিত “এই অঞ্চলে প্রক্সি শক্তিগুলোর লাগাম টেনে ধরা।” তেহরান মনে করে, ওয়াশিংটন এখনো সিরিয়া, ইয়েমেন এবং গাজায় সশস্ত্র অস্থিরতা বজায় রাখার কৌশলেই কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা আবারও শুরু করার যে প্রস্তাব দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করে ইরানি কর্মকর্তা বলেন,
“তেহরান কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়নি। আলোচনাকে আমরা এখনো সময়ের আগে মনে করি—এটা ‘প্রিম্যাচিউর’। আমরা সংঘাতের অস্থায়ী বিরতিতে রয়েছি মাত্র।”
১৩ জুন: ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
২২ জুন: যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নাতানজ, ফোরদো ও ইসফাহানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করে।
জবাবে: ইরানি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৩’-এর অংশ হিসেবে ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে চালানো হামলার জবাবে ইরান কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতেও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এটি পশ্চিম এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মার্কিন ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
মধ্যপ্রাচ্য পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তেহরানের এই হুমকি এবং আগের পাল্টা হামলা ইরান-ইসরাইল সংঘাতকে সরাসরি যুদ্ধে পরিণত করার ইঙ্গিত বহন করছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চেষ্টা যে ব্যর্থ হতে চলেছে, সেটিও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |