| বঙ্গাব্দ

এনসিপি নেতার ৭ লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত দাবি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 14-07-2025 ইং
  • 4525723 বার পঠিত
এনসিপি নেতার ৭ লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত দাবি
ছবির ক্যাপশন: এনসিপি নেতার ৭ লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত দাবি

৭ লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল: এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, তদন্ত দাবি গণঅধিকার পরিষদের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ইমামুর রশিদের বিরুদ্ধে এক নারী উদ্যোক্তার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন সেই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ইমামুর রশিদ অবশ্য দাবি করেছেন, এটি ‘ডোনেশন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছিল এবং ভিডিওটি অসৎ উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।

ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন নারী ইমামুর রশিদকে সাত লাখ টাকা দিচ্ছেন। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

এনসিপি নেতা ইমামুর রশিদ অবশ্য দাবি করেছেন, "ওই নারী পার্টির ফান্ডে নিজ উদ্যোগে ডোনেশন দিতে এসেছিলেন।" তিনি অভিযোগ করেন, "ডোনেশনের বিনিময়ে ব্যক্তিগত সুবিধা না পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।"

চাঁদাবাজির অভিযোগে তদন্ত দাবি

তবে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এই ঘটনাকে শুধুমাত্র অনুদান বলে মানতে নারাজ। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন,

"বড় পার্টি ফান্ড কি আসলেই পার্টির ফান্ডে গেছে, নাকি নেতার পকেটে গেছে— সেটার তদন্ত হওয়া উচিত।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন,

"ডিসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতেও এনসিপির আলোচিত নেতারা জড়িত ছিলেন। গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের মাধ্যমে দলীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে সুবিধা নেওয়া হয়েছে। অথচ এই ‘ধূর্তদের’ কেউই এখনও আইনের আওতায় আসেনি।"

ইমামুর রশিদের ব্যাখ্যা

ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে ইমামুর রশিদ জানান—

  • ঘটনাটি মে মাসের।

  • ওই নারী স্বেচ্ছায় পার্টি অফিসে এসে ফান্ড দিতে চেয়েছেন।

  • দলীয় কোষাধ্যক্ষের কাছে পুরো টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।

  • কোনো ধরনের ব্যক্তিগত সুবিধা বা কমিটমেন্ট দেওয়া হয়নি।

তিনি লেখেন,

“আমার সর্বোচ্চ যোগ্যতা হলো আমার সততা। অনৈতিক কাজের প্রমাণ দিতে পারলে যে-কোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব।”

ফান্ড পলিসি তৈরি এবং ওয়েবসাইট ঘোষণা

ভিডিও ভাইরালের পর এনসিপির পক্ষ থেকে ‘ফান্ড পলিসি’ ও ‘ডোনেশন ওয়েবসাইট’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইমামুর রশিদ।

প্রশ্নবিদ্ধ রাজনৈতিক অনুদান সংস্কৃতি

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ‘বড় পার্টি ফান্ড’ নামে যে অর্থ উঠানো হয়, তার স্বচ্ছতা নিয়ে বহু দিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। এবার সেই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।

প্রতিবেদকBDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency