ঢাকা, ১২ জুলাই ২০২৫:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাজধানীর চকবাজারে সংগঠিত নির্মম সোহাগ হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক, তীব্র নিন্দা এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে বিএনপি বলেছে—
"একটি বিবেকবান রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আমাদের সাংগঠনিক কঠোরতা ও ন্যায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।"
বিএনপি স্পষ্ট করে বলেছে:
"আমরা বিশ্বাস করি, অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকে না। আইন সবার জন্য সমান। অপরাধীর পরিচয় তার অপরাধই। দলীয় পরিচয় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, বরং বিচার হওয়া উচিত তার কাজের ওপর ভিত্তি করে।"
ঘটনাটিকে ঘিরে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়:
এই ঘটনা কি রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হয়ে উঠছে?
জাতীয় নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করতেই কি একে ইস্যু বানানো হচ্ছে?
কুমিল্লা, খুলনার হত্যাকাণ্ডের মতো অন্যান্য ঘটনায় এইরকম প্রতিবাদ হয়েছে কি? নাকি প্রতিবাদ একপাক্ষিক?
অসংখ্য প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের উপস্থিতির মাঝেও হত্যাকাণ্ড ঠেকানো যায়নি কেন?
ভিডিও ধারণে কোনো পরিকল্পিত ‘পাবলিক সাইকোলজি অপারেশন (PsyOps)’ কাজ করছে কি না?
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানকে পেছনে ঠেলে আইনের শাসন ভাঙার নতুন প্রয়াস কি নয়?
সরকারে না থেকেও বিএনপিকে দায়ী করে আন্দোলন বানচালের ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি?
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যকে’ দুর্বল করতে সরকারি প্রচারযন্ত্র সক্রিয় নয় তো?
সঠিক বিচারের বদলে চরিত্রহননের অপপ্রচার কি গণতন্ত্রের ক্ষতি করছে না?
সোহাগের পাশে দাঁড়ানো কি নাগরিক দায়িত্ব নয়, শুধুমাত্র দলীয় দায় নয়?
বিএনপি দাবি করেছে,
"এই ঘটনা ব্যবহার করে যারা জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তারা ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের পথ তৈরি করছে। জনগণ এবং তরুণরা ঐক্যবদ্ধভাবে এ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।"
অপরাধীর বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করা
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া
বিচারপ্রক্রিয়া যাতে রাজনৈতিক হয় না, তা নিশ্চিত করা
যে কোনো মূল্যেই জনগণের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করা
“বাংলাদেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই দেশ জনগণের। সেই মালিকানা জনগণের হাতে ফেরত দেওয়াই আমাদের একমাত্র অগ্রাধিকার।”
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |