মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা প্রেরণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, প্রেসিডেন্ট শেইনবাউমের স্পষ্ট অবস্থান
মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা প্রেরণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম এই প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ঘোষণা করেছেন যে, তার দেশের মাটিতে কোনো মার্কিন সেনা চলবে না।
রোববার (৪ মে) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এই তথ্য জানায়। প্রতিবেদনটি জানায়, গত কয়েক মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে ব্যক্তিগত আলোচনায় শেইনবাউম মেক্সিকোতে মার্কিন সামরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম ট্রাম্পের সাথে কথোপকথনে মেক্সিকোতে মার্কিন সেনার উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে, শেইনবাউম পরিস্কারভাবে বলেন, "আমরা চাই দুই দেশ মাদক বিরোধী কাজে সহযোগিতা করুক, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, মার্কিন বাহিনী মেক্সিকোতে তহল দিবে।"
তিনি আরও বলেন, “তথ্য ভাগাভাগি করতে পারি, কিন্তু কখনোই আমাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি মেনে নেব না।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মেক্সিকোর সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি তার দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
মেক্সিকান প্রেসিডেন্টের এমন একটি স্পষ্ট এবং শক্তিশালী অবস্থান অনেকেই মেক্সিকোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার দৃঢ়তার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, মেক্সিকোর জনগণের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, কারণ মার্কিন সামরিক উপস্থিতি মেক্সিকোর মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন চ্যালেঞ্জও উত্থাপন করতে পারে।
প্রসঙ্গত, মেক্সিকোতে ড্রাগ কার্টেলগুলোর তৎপরতা এবং তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে, এবং মার্কিন সরকার এই সমস্যা মোকাবিলায় মেক্সিকোর সহযোগিতা চেয়ে আসছে। তবে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট শেইনবাউমের প্রতিরোধমূলক অবস্থান ইতিমধ্যে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে নতুন ধরনের চাপ তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনায় মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক নতুন রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সূচনা হতে পারে। তবে, শেইনবাউমের এই দৃঢ় অবস্থান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মেক্সিকোর গণতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তার রাজনৈতিক শক্তির এক নতুন দৃষ্টান্ত হতে পারে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |