ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে পৌরশহরের আখাউড়া-আগরতলা বাইপাস সংলগ্ন চৌরাস্তা মোড়ে চালকরা একত্রিত হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন।
এসময় আখাউড়া-আগরতলার সড়ক অবরোধ করা হয়, যার ফলে স্থলবন্দরগামী পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকা পড়ে।
চালকদের অভিযোগ, প্রতিদিন আখাউড়া পৌরসভার ইজারাদার নামে জোরপূর্বক ২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তারা দাবি করেন, চাঁদা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয় এবং জোর করে টাকা কাড়িয়ে নেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে শিকার হতে হয় মারধর ও হয়রানির।
আলাউদ্দিন, সবুজ ও মমিনুলসহ একাধিক চালক জানান, "আমরা গরিব মানুষ, পেটের দায়ে সড়কে গাড়ি চালাই। বাইপাস স্ট্যান্ডে প্রায় ২০০ গাড়ি রয়েছে। প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ২০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়।"
চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এটা নতুন বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতা সবাই মিলে আমরা দ্বিতীয়বার দেশ স্বাধীন করেছি। তাই স্বাধীন দেশে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না। আমরা কাউকে চাঁদা দিবো না।"
এ বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার উপ-সহকারী (সিভিল) প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আহম্মেদ খান বলেন, "এটা চাঁদাবাজি বলা যাবে না। কারণ, আখাউড়া পৌর কর্তৃপক্ষ এলাকার উন্নয়নে শহরের বাইপাস, পুরাতন থানা ও রাজার দিঘী নামে ৩টি স্ট্যান্ড সম্প্রতি ৫০ লাখ টাকায় ইজারা দিয়েছে। এজন্য সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে ১৫ টাকা আদায় করা হয়।"
এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) শাহিনুর ইসলাম জানান, "সিএনজি-অটোরিকশা চালক ও ইজারাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।"
এদিকে, চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে চালকদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকলে বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |