| বঙ্গাব্দ

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 11-04-2025 ইং
  • 5675136 বার পঠিত
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি
ছবির ক্যাপশন: গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবিতে সোচ্চার জনতা

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলা ও নারী-শিশু হত্যা বন্ধের দাবিতে শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে এই গণহত্যা বন্ধ এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভে উত্তাল জনতা

ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জুমার নামাজের পর ‘ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ’ সহ একাধিক ইসলামী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মুসল্লি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি—“গাজায় নারীদের চিৎকার, শিশুদের কান্না এবং পিতার বুকে সন্তান হারানোর আহাজারি এখন পুরো মানবতার জন্য একটি চরম পরীক্ষা। বিশ্ব মোড়লরা চুপ থেকে এই গণহত্যার নিরব অনুমোদন দিচ্ছে। অবিলম্বে গাজায় হামলা বন্ধ এবং সেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

দেশের বিভিন্ন জেলায় গণআন্দোলন

রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলাতেও ফিলিস্তিনের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে বিক্ষোভ ও গণআন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

নীলফামারীতে ছাত্রজনতার গণআন্দোলন

শুক্রবার সকালে নীলফামারীর চৌরঙ্গী মোড়ে ছাত্রজনতার ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। তারা প্ল্যাকার্ড ও ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশ নেয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, “পশ্চিমারা যদি মানবাধিকার রক্ষায় আন্তরিক হতো, তাহলে আজ গাজার শিশুদের রক্তে পৃথিবীর বুকে লাল ধারা বইত না। মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

ঝালকাঠিতে তাওহীদি জনতার মিছিল

একই দিনে ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বিনাপানি বাজারে ‘তাওহীদি জনতা’র ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে স্থানীয় মানুষ জড়ো হয়ে ইসরায়েলবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বক্তারা বলেন, “এই মুহূর্তে যদি মুসলিম বিশ্বের নেতারা গাজা ইস্যুতে একযোগে আওয়াজ না তোলেন, তাহলে ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না।”

জনমত ও নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা

দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ থেকে স্পষ্ট—বাংলাদেশের মানুষ ফিলিস্তিন ইস্যুতে সচেতন ও সোচ্চার। তবে কেবল বিক্ষোভে নয়, এই জনমতকে আন্তর্জাতিক মহলে পৌঁছে দিতে সরকার ও নীতিনির্ধারকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সময় এসেছে আরও সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা রাখার।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency