| বঙ্গাব্দ

৩৫ টাকা কেজিতে আমন ধান ও ৪৯ টাকায় সিদ্ধ চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত সরকারের

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 08-11-2026 ইং
  • 1238 বার পঠিত
৩৫ টাকা কেজিতে আমন ধান ও ৪৯ টাকায় সিদ্ধ চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত সরকারের
ছবির ক্যাপশন: ৩৫ টাকা কেজিতে আমন ধান ও ৪৯ টাকায় সিদ্ধ চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত সরকারের

৩৫ টাকা কেজিতে আমন ধান ও ৪৯ টাকায় সিদ্ধ চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত সরকারের

চলতি অভ্যন্তরীণ আমন মৌসুমে কৃষকদের ধানের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করতে এবং সরকারি খাদ্যান্ন মজুত বাড়াতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ধান ৩৫ টাকা এবং মিলারদের কাছ থেকে সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা দরে সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) এক ভার্চুয়াল সভায় ধান-চাল সংগ্রহের এই নতুন দর ও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। দেশজুড়ে আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ায় কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান এবং খাদ্য বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকার এই সংগ্রহ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে।

সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও দর নির্ধারণের বিস্তারিত

আসন্ন মৌসুমে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহের জন্য সরকারি তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং নির্দেশাবলী জারি করা হয়েছে।

  • সংগ্রহের নির্ধারিত দর: প্রতি কেজি আমন ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা এবং প্রতি কেজি সিদ্ধ চালের দাম ধরা হয়েছে ৪৯ টাকা।

  • সংগ্রহের মোট লক্ষ্যমাত্রা: সরকারি খাদ্য গুদামগুলোর জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদে কয়েক লাখ মেট্রিক টন ধান ও সিদ্ধ চাল সংগ্রহের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।

  • কৃষকদের অগ্রাধিকার: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি তালিকাভুক্ত প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ডিজিটাল অ্যাপস ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে ধান কেনা হবে।

এক নজরে আমন ধান ও চাল সংগ্রহের সরকারি সিদ্ধান্ত

  • বিষয়: আমন মৌসুমে সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান

  • নির্ধারিত দর: আমন ধান ৩৫ টাকা/কেজি, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা/কেজি

  • উদ্যোক্তা সংস্থা: খাদ্য মন্ত্রণালয় (এফপিএমসি)

  • মূল উদ্দেশ্য: কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ ও খাদ্য নিরাপত্তায় মজুত বৃদ্ধি

কৃষকের স্বার্থরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীলতার প্রভাব

কৃষি ও খাদ্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে খোলা বাজারে ধান ও চালের দামে কৃত্রিম পতন রোধ করা সম্ভব হবে।

সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখা গেলে উৎপাদনকারী কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সরকারি খাদ্য মজুত শক্তিশালী হয়ে দেশের সামগ্রিক খাদ্যান্ন বাজারে সুশাসন বজায় থাকবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency