ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ঈদ র্যালি, নেতৃত্ব দেবেন উপাচার্য
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এবার ঈদের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ঈদ র্যালি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। র্যালির নেতৃত্ব দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ক্যাম্পাসের সবার মধ্যে একসাথে ঈদের আনন্দ উদযাপন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
ঈদের র্যালি শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে:
এদিন ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ, মসজিদুল জামিআ’য়। জামাত শেষে সকাল ৮টায় র্যালি শুরু হবে। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক দিয়ে চলতে চলতে টিএসসি (টেঙ্গু সরণী) হয়ে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।
এই র্যালিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে একটি আনন্দময় এবং ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যেখানে সবাই একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।
ঈদ র্যালি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি প্রথম:
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঈদ উপলক্ষে র্যালি বের করা হবে। এর আগে ক্যাম্পাসে কখনও ঈদ র্যালির আয়োজন করা হয়নি, তাই এই উদ্যোগটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ঈদের দিন ক্যাম্পাসে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এবং ধর্মীয় উৎসবে একত্রিত হতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগের শিক্ষক এবং ছাত্ররা এই র্যালিতে অংশ নেবেন, যা সামাজিক ঐক্য ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি শুধুমাত্র ঈদের উদযাপনই নয়, বরং সামাজিক বন্ধন এবং শান্তির বার্তা পৌঁছানোর একটি মাধ্যমও হতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে শুক্রবার (২৮ মার্চ) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, যেখানে র্যালি আয়োজনের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারের ঈদ র্যালি আয়োজনের সিদ্ধান্ত প্রথমবার নেওয়া হয়েছে, যা ক্যাম্পাসে উদযাপিত ঈদের ঐতিহ্যকে আরও বিশেষ করে তুলবে।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য উৎসবগুলোতেও এমন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদের মতো একটি ধর্মীয় উৎসবকে সম্মান জানাতে এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার প্রচেষ্টা এই র্যালির অন্যতম লক্ষ্য।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |