প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
ইলিশ রূপালী রাজকুমার, বাঙালিদের আবেগ ও জাতীয় মাছ। ডিম পাড়ার জন্য সাগর ছেড়ে বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতের বিভিন্ন নদীতে আসা সামুদ্রিক এই মাছটির অনন্য স্বাদ ও সুবাসের জন্য বিশ্বজুড়ে আলাদা কদর রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ত্রিপুরা ও আসামের মানুষের পাতে ইলিশ অত্যন্ত জনপ্রিয়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে ইলিশের চড়া দাম ও আকাশচুম্বী চাহিদাকে পুঁজি করে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী আসল ইলিশের বদলে ‘চন্দনা’ ও ‘সুরমা’ মাছ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অবিকল রূপালী চকচকে ভাব ও একই রকম আকৃতি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্না করা অবস্থায় আসল ইলিশ এবং অন্য মাছের ফারাক বোঝা সাধারণ মানুষের জন্য আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
ঝুঁকি এড়াতে ও বাজারে প্রতারণা থেকে বাঁচতে আসল ইলিশ চেনার প্রধান ৩টি উপায় নিচে তুলে ধরা হলো:
১. দেহের বিশেষ গড়ন (শেপ):
আসল ইলিশ মাছ দেখতে অনেকটা তলোয়ারের মতো সুগঠিত হয়। এর পেটের দিকটা বেশ মোটা ও চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকটা তুলনামূলক সরু থাকে। অন্যদিকে চন্দনা বা সুরমা মাছের পেটের অংশ এতটা মোটা হয় না।
২. মাথার আকৃতি ও গঠন:
ইলিশ মাছের মাথাটি কিছুটা লম্বাটে এবং এর একদম সামনের অগ্রভাগ হয় সূচালো। কানের বা কানকোর কাছ থেকে মাথার গঠনটি আস্তে আস্তে চওড়া হতে শুরু করে।
৩. ইংরেজি 'V' আকৃতির লেজ ও পাখনা:
আসল ইলিশের লেজ অত্যন্ত খাঁজকাটা এবং গভীরভাবে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো চেরা থাকে। এছাড়া ইলিশের কানকো, পাখনা ও লেজ স্বাভাবিকভাবেই বেশ পরিষ্কার ও সাদাটে চকচকে দেখায়।
বাজারে মাছ কিনতে গেলে কাটা মাছের চেয়ে আস্ত মাছ কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। আস্ত মাছ কেনার সময় মাছের দেহের সার্বিক গড়ন, উজ্জ্বল রূপালী রং, পিঠের গায়ের রুপালি নীলচে আভা এবং লেজের ইংরেজি ‘V’ শেপটি ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিলে প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |