গর্ব করে বলতে পারি বিএনপির কোনো কর্মী চাঁদাবাজিতে জড়িত নয়: আইন উপদেষ্টা
দলের নীতি, আদর্শ এবং কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখার ফলে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী বা সমর্থক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজিতে জড়িত নয় বলে দৃঢ়তার সাথে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা। গতকাল বিকেলে নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই দল ও সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের অরাজকতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেন।
দলীয় শৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স
আইন উপদেষ্টা তার বক্তব্যে জানান, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অপরাধের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা: যেকোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপরাধের দায় দল বা সরকার নেবে না এবং অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তৃণমূল পর্যায়ে তদারকি: তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত সকল নেতাকর্মীকে সততা ও সুশাসনের আদর্শ মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জনগণের আস্থা অর্জন: চাঁদাবাজিমুক্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ চলছে।
এক নজরে আইন উপদেষ্টার বক্তব্যের মূল পয়েন্ট
প্রধান দাবি: বিএনপির কোনো কর্মী বা সদস্য চাঁদাবাজির সাথে সম্পৃক্ত নয়
মূল নীতি: অরাজকতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
আহ্বান: রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ও সুশাসনভিত্তিক পরিবেশ বজায় রাখা
আইনি ব্যবস্থা: পরিচয় যাই হোক, অপরাধে জড়িত থাকলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি
আইনের শাসন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে যেকোনো ধরণের চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট নির্মূল করা অত্যাবশ্যক।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে যেকোনো চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন উপদেষ্টা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |