প্রতিবেদন: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
চলতি মৌসুমের শুরু থেকে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন রাফিনিয়া। একের পর এক গোল করে বার্সেলোনার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। তবে ক্লাব ফুটবলে এমন ধারাবাহিকতার পরও ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে তাঁকে একই রূপে দেখা যায় না।
বার্সেলোনা ও ব্রাজিলের হয়ে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্সে এই পার্থক্যের পেছনে কাজ করছে কয়েকটি বিষয়।
বার্সেলোনায় উজ্জ্বল রাফিনিয়া
ব্রাজিলের জার্সিতে রাফিনিয়া কেন তুলনামূলকভাবে ম্লান, তা বুঝতে হলে আগে বার্সেলোনায় তাঁর ভূমিকার দিকে তাকাতে হয়। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে অনেকটা মুক্ত ভূমিকায় খেলেন তিনি। কখনো মাঝমাঠের কাছাকাছি নেমে আসেন, আবার কখনো অপ্রচলিত স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলেন।
এই ভূমিকায় রাফিনিয়া নিচে নেমে বল বিতরণে সাহায্য করেন, আবার সুযোগ বুঝে প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়েন। ডান প্রান্তে লামিনে ইয়ামালের উপস্থিতির কারণে তিনি প্রায়ই ভেতরের দিকে কিংবা বাম-মধ্যমাঠে সরে আসার সুযোগ পান। সেখান থেকেই সতীর্থদের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় খেলছেন তিনি।
২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতেই একাধিক হ্যাটট্রিকসহ বড় সংখ্যক গোল করেছেন রাফিনিয়া। বার্সেলোনার আক্রমণাত্মক প্রেসিং ও দ্রুতগতির ফুটবলের সঙ্গে তাঁর খেলার ধরনও বেশ মানিয়ে গেছে। বল ছাড়া দৌড়, পরিশ্রমী মানসিকতা এবং নিখুঁত ফিনিশিং তাঁকে দলের আক্রমণভাগে আলাদা করে তুলেছে।
দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁর আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। বর্তমানে বার্সেলোনার আক্রমণভাগের পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আছেন তিনি।
ব্রাজিলের জার্সিতে ভিন্ন চিত্র
ব্রাজিল জাতীয় দলে রাফিনিয়াকে বেশিরভাগ সময় প্রথাগত ডান প্রান্তের উইঙ্গার হিসেবে খেলানো হয়। ফলে বার্সেলোনার মতো মাঝমাঠের কাছাকাছি ঘুরে বেড়ানো কিংবা স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ তিনি খুব কমই পান।
জাতীয় দলের খেলার ধরন ও গতি বার্সেলোনার সঙ্গে এক নয়। ক্লাবে ইয়ামাল বা পেদ্রির মতো সতীর্থদের সঙ্গে যে স্বতঃস্ফূর্ত বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে, ব্রাজিল দলে তেমন সমন্বয় সবসময় দেখা যায় না। শক্তিশালী বা রক্ষণাত্মক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাই অনেক সময় তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়।
এ ছাড়া ব্রাজিলের হয়ে খেলার বাড়তি চাপও আছে। পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী দলের জার্সি গায়ে নামলে গণমাধ্যম ও সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে অনেক বেশি। সরাসরি সুযোগ তৈরি করা ও তারকাসুলভ পারফরম্যান্স দেখানোর চাপ ক্লাবের তুলনায় জাতীয় দলে বেশি অনুভব করতে হয় রাফিনিয়াকে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |