| বঙ্গাব্দ

৯ দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া, প্রবেশে আজীবন নিষেধাজ্ঞা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 12-09-2026 ইং
  • 1755 বার পঠিত
৯ দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া, প্রবেশে আজীবন নিষেধাজ্ঞা
ছবির ক্যাপশন: ৯ দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া,

 ৯ দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া, প্রবেশে আজীবন নিষেধাজ্ঞা

বিশেষ প্রতিনিধি: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে অবস্থান ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯টি দেশের মোট ১৪০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার ও সাজা ভোগ শেষে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA) ও বিভিন্ন ডিপো হয়ে তাদের সরাসরি নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীদের ব্লাকলিস্ট বা কালো তালিকাভুক্ত করে ভবিষ্যতে দেশটিতে পুনরায় প্রবেশের ওপর আজীবন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা

কেদাহ ও অন্যান্য প্রাদেশিক ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে কড়া পাহারায় এসব অবৈধ অভিবাসীদের বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের স্ব-স্ব দেশের এয়ারলাইন্সে তুলে দেওয়া হয়।

মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এদের অধিকাংশই ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থান (Overstaying), বৈধ পারমিট ছাড়া কাজ করা এবং ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩-এর আওতায় নির্দিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের দায়ে আটক হয়েছিলেন। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের নিজ খরচে অথবা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সহায়তায় টিকিটের ব্যবস্থা করে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হয়।

প্রত্যাবাসন অভিযানের মূল দিকসমূহ

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে মালয়েশিয়া সরকারের নীতিগত অবস্থান:

  • আজীবন নিষেধাজ্ঞা: কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের কেউ আর কোনোদিন কোনো ভিসায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

  • জিরো টলারেন্স নীতি: অবৈধ প্রবাসীদের উপস্থিতি ও বেআইনি কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা।

  • নিয়মিত চিরুনি অভিযান: কুয়ালালামপুরসহ প্রধান শহরগুলোতে কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগের কঠোর তৎপরতা।

এক নজরে অভিবাসী প্রত্যাবাসন তথ্য

বিষয়বিবরণ
মোট প্রত্যাবাসিত অভিবাসী৯টি দেশের ১৪০ জন অবৈধ নাগরিক
মূল অভিযোগঅবৈধ অবস্থান, ভিসা পারমিট লঙ্ঘন ও আইনি শাস্তিভোগ
প্রশাসনিক ব্যবস্থাইমিগ্রেশন ব্লাকলিস্টভুক্তকরণ ও আজীবন মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
বাস্তবায়নকারী সংস্থামালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (Immigration Department of Malaysia)

কঠোর বার্তা ও সরকারের অবস্থান

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency