ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপজেলাভিত্তিক আয়োজনের নীতিগত ঘোষণা দিল নির্বাচন কমিশন
দেশের স্থানীয় সরকারের সর্বকনিষ্ঠ ধাপ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন প্রশাসনিকভাবে আরও সুশৃঙ্খল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পর্যায়ক্রমে উপজেলাভিত্তিক আয়োজনের নীতিগত ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শেরেবাংলা নগরের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশনের এক পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব। পূর্বে দেশজুড়ে ঢালাওভাবে কয়েক দফায় ভোটগ্রহণের ফলে সৃষ্টি হওয়া সহিংসতা রোধ, প্রশাসনিক তদারকি জোরদার এবং অর্থ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপচয় কমানোর লক্ষ্যেই এ নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি।
উপজেলাভিত্তিক নির্বাচনের মূল সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য
নির্বাচন কমিশনের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একটি উপজেলার অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন পরিষদে একই দিনে বা একই সুনির্দিষ্ট ধাপে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
সহিংসতা ও অনিয়ম প্রতিরোধ: সুনির্দিষ্ট ক্ষুদ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত হওয়ায় কেন্দ্র দখল বা নির্বাচনী সহিংসতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।
সহজ প্রশাসনিক তদারকি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও নির্বাচন সামগ্রী বিতরণ সহজতর হবে।
দ্রুত ফল প্রকাশ: প্রতিটি উপজেলার কেন্দ্রগুলোর ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া একই স্থান থেকে দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
এক নজরে নতুন ইউপি নির্বাচন পদ্ধতির রূপরেখা
ঘোষণা প্রদানকারী: নির্বাচন কমিশন (ইসি)
নতুন পদ্ধতি: উপজেলা ভিত্তিক ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন পরিচালনা
প্রধান কারণ: আইনশৃঙ্খলা তদারকি সহজ করা ও নির্বাচনমুখী সহিংসতা কমানো
বাস্তবায়নকারী সংস্থা: স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ-আনসার প্রশাসন
আইনশৃঙ্খলা ও বাজেট ব্যবস্থাপনা
নির্বাচন কমিশন সচিব উল্লেখ করেন, সারা দেশে একসঙ্গে বিচ্ছিন্নভাবে নির্বাচন না করে উপজেলাভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা করলে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সর্বোচ্চ টহল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে নির্বাচনী বাজেট যেমন সাশ্রয় হবে, তেমনই ভোটাররা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন ও পরবর্তী পদক্ষেপ
আঞ্চলিক কমিশন কার্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে শীঘ্রই তফসিল ও উপজেলাভিত্তিক তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কমিশনের এই নতুন রূপরেখাকে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরাও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, যা স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |