কৌশলগত গুরুত্ব ও নিরাপত্তাগত ঝুঁকি
ভৌগোলিক পরিভাষায় ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোরটি সর্বকনিষ্ঠ অংশে মাত্র ২২ কিলোমিটার বিস্তৃত। এটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে (সেভেন সিস্টার্স) যুক্ত করার একমাত্র ভূখণ্ডের সংযোগপথ।
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের আন্তর্জাতিক সীমান্তে ঘেরা এই ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের সামরিক বা নাশকতামূলক তৎপরতা দেখা দিলে ভারতের পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চল অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এই ঝুঁকি হ্রাস করতেই প্রযুক্তিগত ও সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে।
ভারতের নতুন গৃহীত পদক্ষেপসমূহ
নয়া দিল্লি ও সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গৃহীত নতুন উদ্যোগের অধীনে বেশ কিছু আধুনিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:
ডিজিটাল নজরদারি বৃদ্ধি: সীমান্তজুড়ে নাইট-ভিশন ক্যামেরা, থার্মাল ইমেজিং ডিভাইস ও আধুনিক ড্রোন টহল জোরদার করা।
অবকাঠামোগত আধুনিকায়ন: দ্রুত সৈন্য ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরের সুবিধার্থে বিকল্প সড়ক, ফ্লাইওভার ও চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণ।
সীমান্ত বাহিনীগুলোর সমন্বয়: বিএসএফ (BSF), ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিশেষ জয়েন্ট কমান্ড গঠন।
এক নজরে ‘চিকেনস নেক’ নিরাপত্তা প্রকল্প
| বিষয় | বিবরণ |
| অঞ্চল | শিলিগুড়ি করিডোর (চিকেনস নেক), উত্তরবঙ্গ |
| প্রাসঙ্গিক সীমান্ত | বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান |
| মূল উদ্দেশ্য | উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সামরিক ও বেসামরিক যোগাযোগ নিশ্চিত করা |
| গৃহীত প্রযুক্তি | ড্রোন নজরদারি, আধুনিক সেন্সর এবং বিকল্প সড়ক যোগাযোগ |
আঞ্চলিক রাজনীতি ও প্রভাব
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শিলিগুড়ি করিডোর কেন্দ্রিক ভারতের এই নতুন নিরাপত্তা তোড়জোড় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কৌশলগত পয়েন্টগুলোকে সুরক্ষিত রাখার অংশ হিসেবেই ভারত এই সীমান্তে নজরদারি ও সামরিক প্রস্তুতি দ্বিগুণ করেছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |