ভঙ্গুর রাজনীতির ঐতিহ্য ভেঙে মেলোনির উত্থান
১৯৪৬ সালে ইতালীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশটি ৬৮টিরও বেশি সরকারের পরিবর্তন দেখেছে। সেখানে মেলোনির নেতৃত্বাধীন 'ব্রাদার্স অব ইতালি' এবং তাদের মিত্রদের ডানপন্থি জোট অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সামলে মেয়াদ অব্যাহত রেখেছে।
বহু গণতান্ত্রিক ও ডানপন্থি দলগুলোর আদর্শিক বিভাজন সত্ত্বেও মেলোনির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জোট রক্ষা করার কৌশল ইতালির ক্ষমতার মসনদকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা দিয়েছে।
স্থায়িত্বের নেপথ্যে প্রধান অনুঘটকসমূহ
জর্জিয়া মেলোনির এই দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সাফল্যের পেছনে বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৌশলগত সিদ্ধান্ত কাজ করেছে:
জোটের ভেতর ভারসাম্য: শরিক দল ফোরজা ইতালি এবং লিগের সঙ্গে ক্ষমতার সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা ও মতপার্থক্য দূরীকরণ।
কঠোর অর্থনৈতিক নীতি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) করোনা পরবর্তী পুনরুদ্ধারের বিশাল তহবিল ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক: জি-৭ এবং ন্যাটোর মঞ্চে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ এবং লিবিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে অবৈধ অভিবাসন রুখতে কঠোর পররাষ্ট্রনীতি প্রয়োগ।
এক নজরে মেলোনি সরকারের ঐতিহাসিক রেকর্ড
| বিষয় | বিবরণ |
| ব্যক্তিত্ব | জর্জিয়া মেলোনি (ইতালির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী) |
| রাজনৈতিক জোট | ব্রাদার্স অব ইতালি, লিগ এবং ফোরজা ইতালি (ডানপন্থি জোট) |
| অর্জন | ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ডানপন্থি সরকার |
| মূল প্রভাব | বারবার সরকার পতনের ঐতিহ্য ভেঙে প্রশাসনিক স্থায়িত্ব প্রতিষ্ঠা |
ইউরোপীয় রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ প্রভাব
জর্জিয়া মেলোনির এই শাসনগত স্থিতিশীলতা কেবল ইতালির অভ্যন্তরীণ নীতিতেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনেনি, বরং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নির্ধারণেও তার অবস্থানকে অত্যন্ত শক্তিশালী করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রোমের এই ঐতিহাসিক স্থায়িত্ব উত্তর ইউরোপ ও দক্ষিণ ইউরোপের অর্থনৈতিক বলয়ে ইতালিকে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে পুনপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |