নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
কিংবদন্তি পাকিস্তানি কাওয়ালি শিল্পী ও উস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রয়াণ দিবসে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন এবং উপস্থিত জনতার টাকা ওড়ানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রখ্যাত গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান। মাজারে এই ধরনের শ্রদ্ধা নিবেদন ও পরিবেশনার ধরন নিয়ে ভক্ত ও নেটিজেনদের মধ্যে জোরালো বিতর্ক শুরু হয়েছে।
মাজারে কাওয়ালি ও টাকা ওড়ানোর দৃশ্য সম্প্রতি নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রায় তিন দশক আগের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান ভাতিজা ও জনপ্রিয় গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে শাহজামান আলী খানও। সেখানে বিপুলসংখ্যক অনুরাগীর উপস্থিতিতে পিতা-পুত্র মিলে একটি কালাম (সুফি গান) পরিবেশন করেন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, গান পরিবেশনের সময় উপস্থিত দর্শকরা আকাশপানে কাগজের টাকা উড়িয়ে উল্লাস করছেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পরই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক।
নেটিজেনদের তীব্র অসন্তোষ কবরের সামনে গান গাওয়া এবং টাকা ওড়ানোর এই সংস্কৃতিকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না নেটিজেনদের বড় একটি অংশ। সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘কবরের কোনো সম্মান রাখা হয়নি।’
অন্য একজন কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে তিনি আবার মদ্যপ অবস্থায় আছেন।’
এছাড়া অনেকেই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ লিখে এই আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মাজারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের এ পদ্ধতি আদৌ সমীচীন ও ইসলামসম্মত কি না, তা নিয়ে এখন চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।
রাহাত ফতেহ আলী খানের সংগীতযাত্রা উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের আগস্ট মাসে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিশ্বখ্যাত কাওয়াল নুসরাত ফতেহ আলী খান। তার সংগীতজীবনের শুরু থেকেই চাচা নুসরাতের সঙ্গে পরিবেশনায় অংশ নিতেন রাহাত। চাচার মৃত্যুর পর তিনি এককভাবে নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান কাওয়ালি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং পরিবারের সুরের ধারা বিশ্বব্যাপী বহন করে চলেছেন। তবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে গান গাওয়ার স্থান ও পরিবেশনার এই ধরন নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক থামছেই না।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |