| বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজায় কারবালার রূপক ও সৌদির সামনে বদরের আয়াত; তোলপাড় বিশ্বে

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-07-2026 ইং
  • 10953 বার পঠিত
খামেনির জানাজায় কারবালার রূপক ও সৌদির সামনে বদরের আয়াত; তোলপাড় বিশ্বে
ছবির ক্যাপশন: খামেনির জানাজা

শোকযাত্রা যাবে কোম, নাজাফ ও কারবালা; রিয়াদ প্রতিনিধিদলের সামনে ‘বদরের যুদ্ধের আয়াত’ পাঠ নিয়ে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রকাশিত: ৬ জুলাই, ২০২৬

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইরান ও সামগ্রিকভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এক সপ্তাহব্যাপী এক বিশাল ভূরাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করেছে তেহরান। এই অনুষ্ঠানগুলোকে হাতিয়ার করে ইরান তাদের নিজেদের দেশে এবং পুরো অঞ্চলে রাজনৈতিক বার্তা ও শিয়া মতাদর্শভিত্তিক সরকারপন্থি ধর্মীয় প্রচারণা সুচারুভাবে পৌঁছে দিতে ব্যাপক ধর্মীয় প্রতীক ও ভাবমূর্তি ব্যবহার করছে।

অনুষ্ঠানে ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা ইরান সরকারের কট্টর সমর্থকদের মধ্যে ঐক্যের একটি সুদৃঢ় আখ্যান তৈরি করতে সতর্কতার সঙ্গে সাজানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় বয়ান। সুসংগঠিত শোকযাত্রার মতো নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাচ্ছেন, নেতার মৃত্যুতে তাদের লড়াই থেমে যায়নি।

গত শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে তেহরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের মধ্য দিয়ে খামেনির জানাজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিন ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্য দিয়ে এক ঐতিহাসিক শোকযাত্রা প্রদক্ষিণ করবে, যার পরতে পরতে জড়িয়ে আছে প্রয়াত এই সর্বোচ্চ নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন এবং সামগ্রিকভাবে শিয়া মতাদর্শের গভীর প্রতীকী বার্তা।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সাল থেকে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান বাহিনীর এক যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন। এরপর গত মার্চ মাসে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান ও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে ইরানি কর্তৃপক্ষ তাদের সব ধরনের অফিশিয়াল ও আন্তর্জাতিক বার্তায় খামেনির সাধারণ মৃত্যুর পরিবর্তে ‘শাহাদাত’-এর ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে এবং তার মৃত্যুতে শোক পালন করাকে একটি পবিত্র জাতীয় ও ধর্মীয় দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরছে।

কুরআনের আয়াত ও মোজতবার বার্তা: ‘আমাদের জেগে উঠতে হবে’

জানাজার অনুষ্ঠানগুলোর জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষ একটি আনুষ্ঠানিক স্লোগান নির্ধারণ করেছে— ‘আমাদের জেগে উঠতে হবে’ (We Must Rise)। এটি শ্বেত-শুভ্র ব্যানার ও ফেস্টুনে লিখে শোকার্ত মানুষের হাতে হাতে দেওয়া হয়েছে। তবে আরবি ভাষাভাষী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ এবং আন্তর্জাতিক মহলের জন্য কর্তৃপক্ষ এর একটি বিশেষ আরবি প্রতিশব্দ বেছে নিয়েছে— ‘আল্লাহর জন্য জেগে ওঠো’ (Rise for God)। এই দুটি স্লোগানই পবিত্র কুরআনের একটি বিখ্যাত আয়াতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে মুসলমানদের যেকোনো ঐশী বা ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্যে জালিমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই আয়োজনের প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়েছে লাল ও কালো পটভূমিতে আঁকা খামেনির একটি প্রতিবাদী মুষ্টিবদ্ধ হাতের চিত্র। এই প্রতীকের উৎস মূলত নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নামে প্রচারিত একটি বিশেষ খুদে বার্তা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে মোজতবাকে এখনো প্রকাশ্যে দেখা বা শোনা যায়নি।

নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঠিক আগে গত ১২ মার্চ প্রকাশিত ওই খুদে বার্তায় বলা হয়েছিল, মোজতবা ‘শুনেছেন যে, মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তেও খামেনির সুস্থ বাম হাতের মুঠি অত্যন্ত শক্ত হয়ে ছিল’। উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে এক ভয়াবহ বোমা হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর ডান হাতের স্থায়ী কর্মক্ষমতা হারিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মূলত চিরশত্রুদের পক্ষ থেকে নতুন করে গোপন গুপ্তহত্যার ঝুঁকি এড়াতে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই মোজতবা খামেনি তার বাবার জানাজা ও অন্যান্য দৃশ্যমান আনুষ্ঠানিকতায় সশরীরে অনুপস্থিত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গ্র্যান্ড মোসাল্লায় লাল পতাকা: ‘হে হোসাইনের প্রতিশোধ গ্রহণকারীরা’

ইরানি সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রচারণায় কালো ও লাল রঙের ব্যবহার মূলত শোক, শাহাদাত এবং শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের আহ্বানের একটি সমন্বিত রূপ। গত রোববার (৫ জুলাই) বিকালে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক কড়া বিবৃতিতে জানায়, “নেতার অন্তিম যাত্রায় সঙ্গী হওয়া এই অভূতপূর্ব জনসমুদ্র প্রধানত দুটি স্লোগানে ফেটে পড়ছে—শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং ইরানের শহীদ নেতার রক্তের চূড়ান্ত প্রতিশোধ।”

শনি ও রোববার তেহরানের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় স্থাপনা গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির মরদেহ রাখা হয়। সেখানে ওড়ানো হয়েছে একটি বিশাল ঐতিহাসিক রক্তিম বা লাল পতাকা। পতাকায় আরবিতে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে— ‘হে হোসাইনের প্রতিশোধ গ্রহণকারীরা’ (O Avengers of Hussein)। এর মধ্য দিয়ে খামেনির হত্যাকাণ্ডকে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক কারবালার ট্র্যাজেডির সঙ্গে মেলানোর একটি স্পষ্ট মনস্তাত্ত্বিক চেষ্টা করা হয়েছে, যেখানে ১৩০০ বছর আগে উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদের (তৎকালীন মুয়াবিয়ার বাহিনী) নিষ্ঠুরতার হাতে নির্মমভাবে শহীদ হয়েছিলেন মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.)। শিয়া মুসলমানদের কাছে ওই উমাইয়া রাজবংশ অবৈধ, নিপীড়ক ও জালিম শাসনের প্রতীক।

এই কারবালার রূপক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তেহরান মূলত বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিশোধ নেওয়াকে একটি অলঙ্ঘনীয় ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা হিসেবে সাধারণ মুসলমানদের সামনে দাঁড় করাচ্ছে। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ ঠিক কীভাবে এবং কবে এই প্রতিশোধ নিতে চায়, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে ২০২০ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর, ইরানি সামরিক বাহিনী ইরাকে মার্কিন আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। যদিও তাতে কোনো মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটেনি। তবে সে সময় বেইজিং ও মস্কোকে তারা জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের এই পুরো অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বাহিনী বিতাড়নই তাদের প্রতিশোধের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল।

কোম, নাজাফ ও কারবালা: শিয়া ইসলামি রাজনীতির মানচিত্র

খামেনির মরদেহ বহনের জন্য ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি যে ভৌগোলিক পথটি বেছে নিয়েছে, তারও একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক বার্তা রয়েছে। মরদেহবাহী এই বিশেষ কাফেলা তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত শিয়াদের সবচেয়ে পবিত্র শহর কোম থেকে যাত্রা শুরু করবে। এরপর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে সেটি সরাসরি ইরাকের নাজাফ এবং কারবালা ( Shia ইসলামের দুই প্রধানতম পবিত্র স্থান) প্রদক্ষিণ করবে। সবশেষে ইরানের মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে নিয়ে যাওয়া হবে খামেনির মরদেহ এবং সেখানেই তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে।

ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনিকে সম্মান জানাতে নির্মিত গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে এই বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা শুরু করাকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির এই দুই প্রধানতম ব্যক্তিত্বের (খোমেনি ও খামেনি) মধ্যে আদর্শিক সংযোগ স্থাপনের একটি সফল প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। তা ছাড়া, ধর্মীয় বৈধতা এবং ধর্মতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদনের জন্য কোম শহরটি ইরানের রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই খোমেনির সমর্থনে সাবেক পাহলভি রাজশাহীর বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধরনের গণবিক্ষোভ হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামি বিপ্লবে রূপ নেয়। অন্যদিকে, ইরাকের নাজাফ হলো শিয়াদের ১২ জন ইমামের প্রথম ইমাম—হযরত আলী (রা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান।

কারবালা ও মাশহাদ সফরের পর খামেনির মরদেহ মূলত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও ধর্মীয় কর্তৃত্বের প্রধান প্রধান আদর্শিক ভিত্তিগুলোর একটি বড় ভৌগোলিক সফর সম্পন্ন করবে, যা গত পাঁচ দশক ধরে বিশ্বজুড়ে শিয়া মতাদর্শ ও রাজনৈতিক শক্তি প্রচারের চেষ্টা করে আসছে।

প্রতিরোধ অক্ষের সমাগম ও রিয়াদকে লক্ষ্য করে ‘বদরের যুদ্ধের আয়াত’

তেহরান-সমর্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী ও আন্দোলনগুলোকে নিয়ে গঠিত তথাকথিত ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ (Axis of Resistance)-ও খামেনির এই জানাজার আখ্যানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গত শুক্রবার তেহরানে খামেনিকে সম্মান জানানোর বিশেষ রাষ্ট্রীয় আয়োজনে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ও ইসলামিক জিহাদ এবং ইয়েমেনের হুথি সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের রাজকীয় ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

সেখানে খামেনির কফিনের সামনে দাঁড়ানো প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন দেশের বিদেশি প্রতিনিধিদলের উদ্দেশে রাষ্ট্র-নিযুক্ত এক খ্যাতনামা কারী ও আবৃত্তিকার পবিত্র কুরআনের বিশেষ বিশেষ আয়াত পাঠ করেন। এরপর তারা ইরানি নতুন নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। হামাস, হিজবুল্লাহ এবং পাকিস্তানের (যাকে ইরানের পক্ষ থেকে ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে) প্রতিনিধিদলের জন্য নির্বাচিত আয়াতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, ঈমানের ওপর অবিচলতা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর ভক্তির ইতিবাচক বার্তা ছিল।

তবে সবাইকে চমকে দিয়ে সৌদি আরবের (রিয়াদ) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের জন্য পঠিত আয়াতটি বর্তমানে বিশ্ব ও আরবি ভাষার গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক শোরগোল ও মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কারণ, সৌদি প্রতিনিধিদের সামনে কারী সাহেব সপ্তম শতাব্দীতে মদিনার কাছে সংঘটিত ঐতিহাসিক ‘বদরের যুদ্ধের’ (Battle of Badr) বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী—এই দুটি পরাক্রমশালী শিবিরের মুখোমুখি হওয়ার রণক্ষেত্রের দৃশ্যপট তুলে ধরা আয়াতটি তিলাওয়াত করেন। আয়াতটির অর্থ হলো— “বিশ্বাসীরা তাদের নিজেদের চোখে শত্রুদের দ্বিগুণ দেখেছিল। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তার বিশেষ বিজয় দিয়ে সাহায্য করেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের জন্য বড় শিক্ষা রয়েছে।”

সুন্নি প্রধান দেশ সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের সামনে শিয়া ইরানের জানাজার মঞ্চ থেকে বদরের যুদ্ধের এই বিশেষ আয়াত বেছে নেওয়ার বিষয়টিকে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা রিয়াদের প্রতি তেহরানের একটি প্রচ্ছন্ন পরোক্ষ হুঁশিয়ারি ও নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবেই ব্যাখ্যা করছেন।

এক নজরে খামেনির জানাজা ও ধর্মীয় প্রতীকবাদ (৬ জুলাই, ২০২৬)

  • মূল স্লোগান: ব্যানার ও ফেস্টুনে আরবি ভাষায় কুরআনের আয়াতের ভিত্তিতে ‘আল্লাহর জন্য জেগে ওঠো’ স্লোগান নির্ধারণ

  • প্রধান প্রতীক: মোজতবা খামেনির মেসেজের ওপর ভিত্তি করে খামেনির প্রতিবাদী মুষ্টিবদ্ধ হাতের লাল-কালো চিত্র প্রকাশ

  • কারবালার আখ্যান: মোসাল্লায় ‘হে হোসাইনের প্রতিশোধ গ্রহণকারীরা’ লেখা লাল পতাকা উড়িয়ে কারবালার রূপক ব্যবহার

  • শোকযাত্রার রুট: মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কোম (ইরান), নাজাফ (ইরাক), কারবালা (ইরাক) হয়ে মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে

  • কূটনৈতিক বিতর্ক: সৌদির প্রতিনিধিদলের সামনে বদরের যুদ্ধের (বিশ্বাস বনাম অবিশ্বাস) আয়াত পাঠ করায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

  • প্রতিরোধ অক্ষ: জানাজায় অংশ নিয়েছে হামাস, হিজবুল্লাহ, ইসলামিক জিহাদ ও ইয়েমেনের হুথি প্রতিনিধিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি সেল

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রথম অফিশিয়াল অডিও বার্তা বা সামরিক ডিক্রির লাইভ আপডেট, কোম ও কারবালায় খামেনির মরদেহবাহী কফিনের শোকযাত্রার প্রতি মুহূর্তের ভিডিও চিত্র, রিয়াদের বদর আয়াত বিতর্কের পর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সব এক্সক্লুসিভ ব্রেকিং নিউজের দ্রুত আপডেটের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency