ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আহ্বান: পবিত্র রমজান মাসে এক পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ পড়ার নির্দেশনা
পবিত্র রমজান মাসে সারা দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে একই পদ্ধতি অনুসরণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানায়। এ প্রস্তাবটি মূলত মসজিদগুলোর মধ্যে একটি অভিন্ন কার্যপদ্ধতি নিশ্চিত করতে এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য এককভাবে পবিত্র কুরআন খতমের সুযোগ প্রদান করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ প্রচলিত রয়েছে। সাধারণত, প্রত্যেক মসজিদে তারাবিহ নামাজের সময় কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করা হয়, তবে কিছু মসজিদে এই পরিমাণে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। ফলে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যাতায়াতকারী কর্মজীবী এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পক্ষে পুরো কুরআন খতমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয় না, যা তাদের জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। তাছাড়া, তারা পবিত্র কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হন।
এই পরিস্থিতি নিরসন এবং মুসলমানদের একীভূতভাবে কুরআন খতমের সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রস্তাব করেছে যে, পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াত করা হবে। এভাবে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র শবে কদর রাতে পুরো কুরআন খতম করা সম্ভব হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে। এর ফলে, দেশের সব অঞ্চলের মুসলমানরা একই পদ্ধতি অনুসরণ করে একত্রে কুরআন খতম করতে পারবেন, যা তাদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন এবং পূর্ণ সওয়াব অর্জনে সহায়ক হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আশা প্রকাশ করে যে, এই আহ্বান মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য এবং একতা প্রতিষ্ঠা করবে, যা শুধু রমজান মাসে নয়, সারাবছরই ইসলামের অনুশীলনে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, এই সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণকারী মসজিদগুলো নিশ্চিত করবে যে, তারা নির্ধারিত পরিমাণে তিলাওয়াত করবে এবং মুসল্লিরা সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারবেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চায় যে, ইসলামের আদর্শ এবং একতার পথ অনুসরণ করে মুসলমানরা আরও বেশি সওয়াব অর্জন করতে পারে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |