এনসিপি’র ১৫ প্রস্তাব: পিএসসি ও জনপ্রশাসন সংস্কারের দাবিতে নতুন উদ্যোগ"
🖊 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকা, বাংলাদেশ:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংস্কারের জন্য ১৫টি প্রস্তাব দিয়েছে। রোববার, দুপুরে পিএসসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক শেষে দলটির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই প্রস্তাব পেশ করে।
এনসিপি’র প্রস্তাবনায় মূলত বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষার বিভিন্ন দিক সংশোধনের পাশাপাশি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্ত কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল বিসিএসে বৈষম্য রোধের জন্য, কিন্তু এখনো পিএসসির মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে।"
এনসিপি’র মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, "জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এখনো যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না। মন্ত্রণালয়ের সর্বত্র গুন্ডামি এবং ভাগ-বাটোয়ারা চলছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "অভ্যুত্থানের পর আমলারাই সবচেয়ে সুবিধা নিয়েছে এবং নিজেদের প্রমোশন নিশ্চিত করেছে।"
এনসিপি’র ১৫ দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে:
১. ২৩ নন-ক্যাডার বিধি সংশোধন: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পিএসসি থেকে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর চিঠি ইস্যু করা।
২. ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের জন্য সুপারিশ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন।
৩. ৪৪তম বিসিএসের পুনরায় ফলাফল প্রদান ও ৮৭০ পোস্ট বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব।
৪. ২০২৩ সালের নন-ক্যাডার বিধির সংশোধন দ্রুততর করা।
৫. বিভিন্ন বিসিএসের মধ্যে সময়সীমা সংকীর্ণ করার জন্য প্রস্তাব।
এছাড়া, তারা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব করেছে যা কমিশন, পুলিশ ভেরিফিকেশন, প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি, ভাইভা বোর্ডভিত্তিক মার্কসের তারতম্য হ্রাস, এবং বিশেষ বিসিএসগুলোর জন্য প্যানেল সিস্টেম সংক্রান্ত।
এনসিপি’র মতে, সুষ্ঠু ও কার্যকরী পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও জনপ্রশাসন ব্যবস্থা গঠন করার জন্য, পিএসসির প্রক্রিয়া এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। তারা মনে করেন, "পিএসসি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় এবং যুব সমাজের আস্থা অর্জন করে।"
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |