প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
দেশজুড়ে নির্বাচনি প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। তৃণমূলে সভা–সমাবেশ, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই ও ‘ধানের শীষ’–কেন্দ্রিক গণসংযোগ—সব মিলিয়ে দলটি নির্বাচনি মোডে। এদিকে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান, তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে—যা জোটরাজনীতি ও সিট–সমঝোতার আলোচনাকে নতুন গতি দিয়েছে।
বিএনপি ইতিমধ্যে বহু আসনে নিজস্ব প্রার্থী–প্যানেল চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছে এবং সমমনাদের সঙ্গে সিট–শেয়ারিং নকশা এগিয়ে নিচ্ছে—অক্টোবরে আলোচনার বড় অংশ শেষ করার লক্ষ্যও জানিয়েছেন জোট–কৌশল নির্ধারকেরা। একইসঙ্গে যেসব আসনে মিত্রদের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেসব এলাকায় দলীয় কর্মীদের একত্রীকরণের বার্তাও গেছে।
গত এক মাসে একাধিক বিশ্বস্ত প্রতিবেদনে ইঙ্গিত—বিএনপি মিত্রদের জন্য সর্বোচ্চ প্রায় ৫০টি আসন ছাড়ে যেতে পারে। ২০১৮ সালের অভিজ্ঞতায়ও দলটি মিত্রদের ৫৮–৬০টি আসন দিয়েছিল—এবার জামায়াত–ফ্যাক্টর ভিন্ন হলেও ‘জয়ের বাস্তব সম্ভাবনা’–কেন্দ্রিক আসন ছাড়ার নীতিই প্রাধান্যে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাম্প্রতিক বৈঠকগুলিতে গণতন্ত্র মঞ্চসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে জোট–সম্ভাবনা যাচাই করছে এবং প্রকাশ্য বক্তব্যে ‘৩০০ আসনে প্রার্থী’–র কথাও শোনা গেছে। তবু বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক অনানুষ্ঠানিক আলোচনার কথা স্বীকার করে বলছেন—এনসিপি আলাদা জোট গড়লেও তাদের জন্য আসন ছাড়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ফলে ‘দূরত্ব’ ও ‘সমঝোতা’—দুই পথই খোলা রাখা হচ্ছে।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং আন্তর্জাতিক রিপোর্টে তারেক রহমান জানান—তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন, দেশে ফেরারও পরিকল্পনা রয়েছে। ছাত্র–নেতৃত্বাধীন পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে একটি গ্রহণযোগ্য ভোট আয়োজনের ওপর তিনি জোর দেন। এই বার্তাই মাঠে বিএনপির কর্মসূচি ও জোট–কৌশলে ‘টাইমলাইন’ স্পষ্ট করছে।
অন্তর্বর্তী সরকার ও নীতিনির্ধারকদের সাম্প্রতিক বার্তায় ফেব্রুয়ারি লক্ষ্য ধরে নির্বাচনি প্রস্তুতি এগোচ্ছে—ইসি–কে চিঠি দিয়েও সে ইঙ্গিত এসেছে। যদিও কয়েক মাস আগে তারিখ নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য ছিল, সেপ্টেম্বর–অক্টোবরে শীর্ষ পর্যায়ের বার্তায় ফেব্রুয়ারির ‘উইন্ডো’–ই প্রাধান্য পেয়েছে। সেই অনুযায়ী দলগুলো প্রার্থী ও সিট–শেয়ারিং দ্রুত চূড়ান্ত করছে।
বাংলাদেশে একক আসনভিত্তিক (FPTP) ব্যবস্থায় দলের সামগ্রিক ভোট–শেয়ার নয়, লোকাল ক্যান্ডিডেট–স্ট্রেংথ ও গ্রাউন্ড–মেশিনারি ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। সে কারণেই বিএনপি এবার ‘সংখ্যার খাতা’ নয়, ওয়িনেবিলিটি–ইন্ডেক্স–কেন্দ্রিক ছাড়ের পথে—যা ২০০৮ ও ২০১৮–র পূর্ব অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এনসিপি–সহ জোট–অংশীদারদের সমান্তরাল হিসাব, একাডেমিক/ছাত্র–ভিত্তির নতুন রাজনীতির প্রভাব এবং শেষ মুহূর্তে এলাকা–ভিত্তিক দরকষাকষি—সমঝোতার গ্রিড পাল্টে দিতে পারে।
The Daily Star — “Will take part in the election, BNP acting chair tells BBC Bangla.”
Dhaka Tribune — “BNP plans to leave a maximum of 50 seats for allies.”
The Business Standard — “NCP plans separate alliance beyond Jamaat, BNP.”
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |