তারেক রহমান বললেন ভারত ও বাংলাদেশের ‘ন্যায্য স্বার্থ’– ‘ফেলানী’ ও পানি—সীমান্ত ইস্যুতে কি সিদ্ধান্ত?”
প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
১৮ বছরের নির্বাসনের পর বিবিসি বাংলার সামনে মুখ খুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাক্ষাৎকারে তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ও বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত, জলবিচার ও “ফেলানী হত্যাকাণ্ড” ইস্যুতে স্পষ্ট নীতি প্রকাশ করেছেন। নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো কিছু প্রশ্ন–উত্তর অংশ এবং বিশ্লেষণ:
বিবিসি বাংলা:
“গত সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে যে সম্পর্ক ছিল, সেটি নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে — আপনার দলের নীতিতে ভারতকে কী অবস্থান দেওয়া হবে?”
তারেক রহমান:
“সবার আগে বাংলাদেশ। এখানে আপনি একটি দেশের কথা বলেছেন — কিন্তু বিষয় দেশটি নয়, বিষয় হলো বাংলাদেশ। আমি আগে আমার দেশের মানুষের স্বার্থ দেখব। যতটুকু সম্ভব করতে পারব, করব।”
বিবিসি বাংলা:
“ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন থাকা উচিত? রাখা হবে কি শীতল? নাকি বন্ধুত্বপূর্ণ?”
তারেক রহমান:
“অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। আমি মেনে নিব না যে অন্য কোনো ‘ফেলানী’ হামলায় মারা যাবে। আমাদের হিস্যা চাই— যা আমার দেশের ও মানুষের অধিকার।”
বিবিসি বাংলা:
“আউট-আফ্লো ও সীমান্ত হত্যা ইস্যু — এসব নিয়ে বিবকথা করবেন?”
তারেক রহমান:
“না — আমি উদাহরণ দিয়েছি স্ট্যান্ড বোঝাতে। আমাদের স্বার্থের কথা বলছি। মানুষের উপরে আঘাত হলে মেনে নেওয়া হবে না।”
বিবিসি বাংলা:
“শেখ হাসিনা ভারতের পাশে অবস্থান করছেন, বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। ভারতের সঙ্গে যে শীতলতা দেখা দিয়েছে — যদি আপনার সরকার আসে, পরিবর্তন আনা হবে কি?”
তারেক রহমান:
“যদি তারা স্বৈরাচারকে আশ্রয় দেয়, তাহলে দেশের মানুষের সঙ্গে শীতল হওয়া উচিত। আমাকে দেশের মানুষের পাশে থাকতে হবে।”
তারেক রহমান সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “যদি ভারত স্বৈরাচারকে আশ্রয় দেয়, তারা জনপ্রিয়তা হারাবে” — “Cooling of ties with India is people’s decision” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, “ফেলানী হত্যাকাণ্ড” ও “পানির হিস্যা” উদাহরণস্বরূপ দেওয়া হয়েছে, যাতে জানানো যায় যে, সীমান্ত ও জলবিচার ইস্যুতে কোনো আপোষ থাকবে না।
তারেক রহমান বলেছেন, “People have decided that relations with India will remain cool … আমি আমার দেশের মানুষের পাশে থাকব।”
এই নয়, তারেক রহমান ইতিমধ্যে দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং নির্বাচন অংশগ্রহণের কথাও বলেছিলেন।
পাশাপাশি, তিনি বলেন আদালতের আদেশের কারণে তার মিডিয়ায় কথা বলার অধিকার প্রয়োগ বন্ধ ছিল — “During the past fascist government, a court order stopped my right to speak”
তারেক রহমানের এই বক্তব্য একটি স্পষ্ট জাতীয় স্বার্থ মূলনীতির প্রস্তাব তুলে ধরে — যেখানে বিদেশি সম্পর্কের পুরোপুরি নির্ভর থাকবে বাংলাদেশের স্বার্থ ও জনগণের চাহিদার ওপর।
“ফেলানী হত্যাকাণ্ড” উদাহরণ হিসেবে বেছে নেয়া একটি রাজনৈতিক ইঙ্গিত — যে সীমান্ত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে জাতীয় অসন্তোষ ও দাবি রয়েছে।
“শীতল সম্পর্ক” কথাটি একটি রাজনৈতিক সমন্বয়ভিত্তিক অবস্থান প্রকাশ করে — যেখানে প্রতিক্রিয়া হবে জনমতের সঙ্গে সমন্বিত, না যে অনুকরণমূলক কূটনীতি হবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তাব ও দেশে ফেরা ইচ্ছা — এই বক্তব্য ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক চাপে বিদেশনীতি ও অভ্যন্তরীণ স্বাধিকারের মধ্যেই বিবেচ্য হবে।
তবে রাজনৈতিক বাস্তবতার নিরীক্ষণ জরুরি — ভারতের সঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য, জলবিচার, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ইত্যাদিতে কার্যকর নীতি ও সমঝোতা প্রয়োজন।
তারেক রহমানের এই অংশটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে দেয়: স্বার্থপ্রধান, ন্যায্য হিস্যা চাওয়া এবং সীমান্তহত্যা ও জলবিচারে আপোষ নাও করার ইঙ্গিত। তবে কূটনৈতিক বাস্তবতা ও সমঝোতার দিক থেকে তার দলকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
নিচে দেওয়া হলো সূত্র ও মেটা ট্যাগ, যাতে আপনি সরাসরি কপি–পেস্ট করে “বাংলাদেশ প্রতিদিন” বা অন্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন —
“Cooling of ties with India is people’s decision: Tarique Rahman,” Banglanews24
“India has become unpopular for sheltering an autocrat: Tarique in BBC Bangla interview,” The Business Standard / TBS
“I will return home soon to contest election: Tarique,” Observer BD
“BNP confident it’ll win, form govt alone,” The Daily Star
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |