প্রতিবেদনকারীর নাম : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) মানিকগঞ্জ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে “জুলাই গণসমাবেশ” আয়োজন করে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলের সমাবেশে দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতির ‘তরফ–বদলের খেলায়’ একাধিক বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর পুঁজির প্রবাহ কাজ করছে। তার ভাষায়, “এস আলমের টাকা শুধু শেখ হাসিনা খান না—অনেক দলের নেতারাই ওই টাকায় ব্যবসা করছেন, সন্তানদের বিদেশে পড়াচ্ছেন।”—এই অভিযোগ তুলেই তিনি ‘গাদ্দারি’–রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান জানান এবং বিদেশি প্রভাব ও দিল্লি–কেন্দ্রিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে অনড় থাকার কথা বলেন। (সমাবেশস্থলের বক্তব্য—ঘটনা–বিবরণ: প্রতিবেদক/অনুষ্ঠান–আয়োজক সূত্র)
ফুয়াদ ঐতিহাসিক তুলনায় ১৭৫৭ সালের প্লাসি–পর্বের চরিত্রদের (মীর জাফর, উমিচাঁদ, ঘষেটি বেগম, জগৎ শেঠ) প্রসঙ্গ টেনে বলেন—আজকের রাজনীতিতেও ‘ভেতরের বিশ্বাসঘাতক’ চিহ্নিত করতে হবে। একই বক্তৃতায় তিনি জানান, এবি পার্টি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে মিশ্র নির্বাচনী কাঠামো (৩০০ আসনের মধ্যে ২০০ আসনে সরাসরি ভোট, ১০০ আসনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব/PR) প্রস্তাব করেছে; সনদ পুরোপুরি না বাস্তবায়িত হলেও “এবি পার্টি নির্বাচনে যাবে”—এমন অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন। (সমাবেশস্থলের বক্তব্য—ঘটনা–বিবরণ: প্রতিবেদক/আয়োজক সূত্র)
PR ও জুলাই সনদকে ঘিরে বহুদলীয় চাপ: সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জামায়াতে ইসলামীসহ সাতটি দল ঢাকায় সমাবেশ–মিছিল করে PR পদ্ধতি ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি তোলে। এতে জাতীয় নির্বাচনের আগে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরির কথা জোর দিয়ে বলা হয়।
সনদ নিয়ে আনুষ্ঠানিক পরামর্শ–প্রক্রিয়া: ন্যাশনাল কনসেনসাস কমিশন–এর কাছে জুলাই সনদের খসড়া নিয়ে ২৪ থেকে ২৬টি দল মতামত দিয়েছে—এ প্রক্রিয়া এখনও চলমান।
এবি পার্টির সর্বশেষ অবস্থান: জোটে যাওয়ার বা যৌথ আন্দোলনে নামার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি—এমন অবস্থান গত সপ্তাহেই প্রকাশ্যে জানায় এবি পার্টি নেতৃত্ব। একইসঙ্গে “ব্যক্তি/দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে” নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে তারা কাঠামোগত সংস্কার দাবি তোলে।
ফুয়াদের বক্তব্যে উল্লেখিত ‘এস আলমের অর্থস্রোত’ নিয়ে সমাবেশ–মঞ্চে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলা হলেও—এই প্রতিবেদন প্রকাশ–ক্ষণে এ অভিযোগের স্বতন্ত্র ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সংবাদমাধ্যম/নিয়ন্ত্রক সংস্থা/আদালত–নথিতে দেখা যায়নি। ফলে বিষয়টি রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে বিবেচ্য; প্রমাণসাপেক্ষ কোনো অডিট/তদন্ত–নথি পাওয়া গেলে চিত্র ভিন্ন হতে পারে—এমনটাই সাংবাদিকতার স্ট্যান্ডার্ড ডিসক্লেমার। (ফ্যাক্টচেক নোট)
২০০ FPTP + ১০০ PR—এই মডেলে মোট ৩০০ আসন; PR–আসনে জাতীয় ভোটভাগ অনুযায়ী পার্টি–লিস্ট থেকে আসন বণ্টন।
উদ্দেশ্য: ছোট–মাঝারি দলের ভোট–টু–সিট গ্যাপ কমানো, আঞ্চলিক ভোটের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা, এবং কোহেশন–সহ একধরনের সমঝোতা–রাজনীতি উৎসাহিত করা।
চ্যালেঞ্জ: সংবিধান/আইন–সংশোধন, সীমানা–পুনর্নির্ধারণ, ব্যালট–ডিজাইন, ফল–সংকলন ও ভোটার–শিক্ষা—সব খাতেই বড় লজিস্টিক পরিবর্তন দরকার হবে। (বিশ্লেষণ—সাম্প্রতিক নীতিবিবেচনা আলোচনার সারাংশ)
সমাবেশে জেলা–মহানগর ইউনিটগুলোর নেতারা ‘জুলাই শহীদ’দের স্মরণ করে ফ্যাক্ট–বেসড পলিটিক্স, দুর্নীতি–বিরোধী অবস্থান এবং প্রতিযোগিতামূলক কিন্তু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন–পরিবেশের আহ্বান জানান। তারা স্থানীয় ইস্যু–ভিত্তিক প্রচারণা (চাকরি/দাম/সেবা) জোরদারের ঘোষণা দেন। (অনুষ্ঠান–মঞ্চ, বক্তাদের বক্তব্য: প্রতিবেদক/আয়োজক সূত্র)
সামগ্রিক চিত্র: এবি পার্টির কেন্দ্রীয় বার্তা এখন—‘জুলাই সনদে কাঠামোগত সংস্কার–চাপ বজায় রেখে নির্বাচনে অংশ নেওয়া’। একইসঙ্গে ‘বিদেশি প্রভাব’ ও ‘নয়–ছয় তহবিল’–বিতর্ককে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করে মাঠে কোহেসিভ ন্যারেটিভ দাঁড় করানো—এটাই কৌশলগত লক্ষ্য।
Dhaka Tribune: AB Party: No decision yet on joining any political alliance—এবি পার্টির সাম্প্রতিক আনুষ্ঠানিক অবস্থান।
Dhaka Tribune / UNB রেফারেন্স: ঢাকায় PR ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৭ দলের সমাবেশ–মিছিল।
BSS: জুলাই সনদ খসড়া নিয়ে ২৪–২৬ দল লিখিত মতামত দিয়েছে—কনসেনসাস কমিশনের আপডেট।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |