শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডই ফ্যাসিবাদবিরোধী বিপ্লবের বুনিয়াদ: মাওলানা মামুনুল হক
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডই বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “শাপলা চত্বর আমাদের চেতনার বাতিঘর। ২০১৩ সালের আন্দোলনই ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবকে সফল করেছে।”
দৈনিক যুগান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামুনুল হক শাপলা চত্বরের ঘটনা, শহীদদের তালিকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
মামুনুল হক বলেন, “শাপলা থেকে পালিয়ে আসা কথাটার সঙ্গে আমি একমত নই। সেদিন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়। গুলির মুখে সেখানে অবস্থান করা সম্ভব ছিল না। সেদিন বহু মানুষ প্রাণ দিয়েছে, কেউ চোখ হারিয়েছে, কারও অঙ্গহানি হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এ হত্যাযজ্ঞ আওয়ামী লীগের অস্তিত্বে এমন কলঙ্কের দাগ এঁকেছে যা শত বছরেও মুছবে না। বরং এ শাপলাই বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির বিপ্লবের বুনিয়াদ।”
চরমোনাই পীরের ভাষ্যমতে, “২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে আমাদের জন্য নতুন এক বালাকোট তৈরি করেছে। বাহ্যিকভাবে মনে হয়েছিল আমরা পরাস্ত হয়েছি। কিন্তু শাহাদতের মাধ্যমে আন্দোলনের ভিত আরও শক্ত হয়েছে।”
তিনি শাপলাকে সাহসের প্রতীক উল্লেখ করে বলেন, “শাপলা কেবল একটি দিন বা ঘটনা নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রতীকী ইতিহাস।”
শহীদদের তালিকা নিয়ে তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, তা হেফাজতের অনুমোদিত নয়। বহু লাশ গুম করা হয়েছিল, আবার অনেক পরিবার নিরাপত্তার কারণে পরিচয় গোপন করেছে। আমরা যাদের তথ্য পেয়েছি, তাদের নিয়ে ‘শহীদনামা’ গ্রন্থ প্রকাশ করেছি। তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—
শাপলা চত্বরের ঘটনা শুধু একটি আন্দোলন নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
মামুনুল হকের বক্তব্যে স্পষ্ট যে, ইসলামি রাজনৈতিক শক্তিগুলো শাপলার ঘটনাকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছে।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সঙ্গেও তিনি সরাসরি এই ঘটনার যোগসূত্র টানছেন।
দৈনিক যুগান্তর – মাওলানা মামুনুল হকের সাক্ষাৎকার।
হেফাজতে ইসলামের অফিসিয়াল বিবৃতি ও প্রকাশিত গ্রন্থ ‘শহীদনামা’।
সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |