হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের মাঝে অবস্থিত ৪০–৫০ কিমি প্রশস্ত একটি সমুদ্রচ্যানেল, যা দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পারাপার হয়।
এটি তেল রপ্তানির জন্য বিশ্বের সবচেয়ে কৌশলগত পয়েন্ট।
হ্যাঁ, সাময়িকভাবে পারবে।
ইরানের স্পিড বোট, সাবমেরিন, মাইন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে প্রণালির বাণিজ্যিক পথ বন্ধ করার সক্ষমতা রয়েছে।
তবে স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা কঠিন, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্ররা দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তেলের দাম আকাশছোঁয়া হবে – সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে
চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া – যাদের তেলের বড় অংশ এই পথেই আসে, তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়বে
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি কম প্রভাব পড়লেও বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধি তাদেরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে
ইরানের মিত্র চীনই সবচেয়ে বেশি চাপ দেবে যাতে প্রণালি খোলা থাকে
আংশিক আছে।
সৌদি আরব: পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইন (৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন)
UAE: ফুজাইরাহ রুট (১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন)
ইরান: গোরেহ-জাস্ক পাইপলাইন, তবে এখনও পুরোপুরি চালু নয়
তবে হরমুজের ২০ মিলিয়ন ব্যারেলের পরিবর্তে এই রুটগুলো মাত্র ৩.৫ মিলিয়ন ব্যারেল সামলাতে পারে, অর্থাৎ ১৫% সক্ষমতা।
সৌদি আরব (রপ্তানির ৬০ লাখ ব্যারেল)
চীন ও ভারত (সবচেয়ে বড় আমদানিকারক)
দক্ষিণ কোরিয়া (তেলের ৬০% এই পথে)
ইরান নিজেও (তেল বিক্রির বড় বাজার ঝুঁকিতে)
“হরমুজ বন্ধ করা হবে আত্মঘাতী পদক্ষেপ, কারণ ক্ষতি প্রথমে হবে ইরানের মিত্রদের,”
— আনাস আলহাজ্জি, আউটলুক অ্যাডভাইজার্স
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |