লন্ডন, ২০ জুন ২০২৫ — দেশের বিচার বিভাগ ও গণতন্ত্র ধ্বংসের পেছনে অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। তার একাধিক রায় ও কর্মকাণ্ড রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে সুবিধা প্রদান করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খায়রুল হক তার রায়ে ঘোষণা করেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, বরং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই ঘোষক। এই রায় রাজনৈতিকভাবে অনেককে খুশি করলেও, অপরপক্ষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পেছনেও ছিল খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের ভূমিকা। পরবর্তী দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে এমন রায়ের অংশ বাদ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক। এরপর একাধিক মামলা হয় তার বিরুদ্ধে, যার মধ্যে রয়েছে সংবিধান সংশোধনী রায় নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর তিনি দুজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে শপথ পড়ান। এদের মধ্যে একজন ছিলেন একটি হত্যা মামলার আসামি এবং অপরজন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।
তিনি ও আরও দুই বিচারপতি মিলে হাইকোর্ট বিভাগের আগাম জামিন প্রদানের এখতিয়ার কেড়ে নেন, যা বিচারব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলে।
আইন কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালে চাকরিচ্যুত করা হয় একজন গাড়িচালককে, যার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। বিষয়টি ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে খায়রুল হক আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার ছেলে মো. আশিক উল হক বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |