| বঙ্গাব্দ

২০২৬ সালের ঈদ কবে? ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 17-03-2026 ইং
  • 612424 বার পঠিত
২০২৬ সালের ঈদ কবে? ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ছবির ক্যাপশন: ঈদ কবে

২১ মার্চ কি তবে নিশ্চিত ঈদ? চূড়ান্ত ঘোষণা আসছে ১৯ মার্চ

ধর্ম ডেস্ক: পবিত্র রমজান শেষ পর্যায়ে, এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর? এই কৌতূহলের অবসান ঘটবে আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার)। এদিন সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস ও সম্ভাব্য তারিখ

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ১৮ মার্চ নতুন চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে ১৯ মার্চ ভোরে নতুন চাঁদের জন্ম হবে এবং সেদিন সূর্যাস্তের পর প্রায় ২৯ মিনিট চাঁদ দিগন্তের ওপরে থাকবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে ওইদিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

সেই হিসেবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ হয়, তাই ২১ মার্চ (শনিবার) বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

সরকারি ক্যালেন্ডার ও দীর্ঘ ছুটির সমীকরণ

আশার কথা হলো, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগে থেকেই ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরে ছুটির পরিকল্পনা সাজিয়েছিল। ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থেকে শুরু করে ১৮ মার্চের নির্বাহী আদেশের ছুটিসহ এবার টানা ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিনের রেকর্ড ছুটি উপভোগ করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস সরকারি এই পরিকল্পনার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। তবে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই ১৯ মার্চ রাতে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।

১৯৫০ থেকে ২০২৬: চাঁদ দেখা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন

বাংলাদেশের ইতিহাসে চাঁদ দেখার প্রক্রিয়ায় সাত দশকে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। ১৯৫০-এর দশকে মানুষ কেবল খালি চোখের ওপর নির্ভর করত এবং দূর-দূরান্তের খবর পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়কালেও রেডিও ছিল খবরের মূল উৎস।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশের’ প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালে এসে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যাচ্ছে। এখন আমরা অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ ও স্যাটেলাইট ডাটা ব্যবহার করে কয়েক দিন আগেই নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে পারছি। ১৯৫০ সালে যা ছিল অনিশ্চয়তা, ২০২৬ সালে তা প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক বেশি সুনিশ্চিত।


সূত্র: ১. ইমেরাতস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি ও আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র।

২. ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

৩. জাতীয় আর্কাইভস: বাংলাদেশে ঈদ উদযাপন ও চাঁদ দেখার বিবর্তন (১৯৫০-২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency