| বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ: প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে পাবে ২ কোটি পরিবার।

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 27-02-2026 ইং
  • 908987 বার পঠিত
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ: প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে পাবে ২ কোটি পরিবার।
ছবির ক্যাপশন: ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ

২ কোটি পরিবার পাবে মাসিক ২,৫০০ টাকা: ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ঢাকা: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এক বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের দুই কোটি পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তার আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন এই যুগান্তকারী প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

পাইলট প্রকল্পের শুরু ও সুবিধা

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ১০ মার্চ দেশের ১৪টি উপজেলায় চার মাসের এই পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রারম্ভিক পর্যায়ে ৬,৫০০ পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার (অন্তত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট) প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি তাদের মোবাইল ওয়ালেট (বিকাশ/নগদ) অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন।

বার্ষিক ব্যয় ও বিশাল কর্মযজ্ঞ

ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেন, "এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পাইলট প্রকল্প সফল হলে এটি ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে।" তিনি আরও জানান, পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরকারের মাসিক ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক ব্যয় হবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও নতুন বাংলাদেশ

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ২০২৬ সালের এই নতুন বাংলাদেশে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পটিকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

বিশ্লেষণ (১৯০০-২০২৬): সামাজিক নিরাপত্তার বিবর্তন

বাংলার ইতিহাসে ১৯০০ সালের দুর্ভিক্ষ পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রম থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি দেখা গেছে। তবে সরাসরি ক্যাশ ট্রান্সফার বা নগদ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ২ কোটি পরিবারকে (যা দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ) আর্থিক বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসা বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী হতে যাচ্ছে। এটি কেবল দারিদ্র্য বিমোচন নয়, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়িয়ে বাজার ব্যবস্থাকে সচল রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


তথ্যসূত্র: সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রেস ব্রিফিং (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency