| বঙ্গাব্দ

শবে কদর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে মোবারকবাদ জানালেন মির্জা ফখরুল

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 17-03-2026 ইং
  • 612318 বার পঠিত
শবে কদর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে মোবারকবাদ জানালেন মির্জা ফখরুল
ছবির ক্যাপশন: মির্জা ফখরুল

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে মির্জা ফখরুলের শুভেচ্ছা ও সমৃদ্ধি কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র শবে কদর বা লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৬ মার্চ, ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান এবং দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

কুরআন নাজিলের মহিমান্বিত রজনী

বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, "লাইলাতুল কদর এক মহিমাময় ও পবিত্র রাত, যা মর্যাদার রাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পরিচিত। মাহে রমজানের এই রাতেই নাজিল হয়েছিল পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কুরআন, যা মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাত্র দিকনির্দেশনা।" তিনি এই রজনীকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে অভিহিত করেন।

আত্মার পরিশুদ্ধি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ

মন্ত্রী আরও বলেন, "আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে ইবাদতের মাধ্যমে মানুষের জীবনের তিক্ততা দূর হয় এবং মুমিনদের আত্মা পরিশুদ্ধ হয়ে অনাবিল শান্তিতে ভরে ওঠে।" পবিত্র এই রাতে তিনি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দেশ, জনগণ ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর উত্তরোত্তর কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং সবার ওপর অশেষ রহমত বর্ষণের জন্য প্রার্থনা জানান।

১৯৫০ থেকে ২০২৬: ধর্মীয় সংস্কৃতি ও রাজনীতির মেলবন্ধন

বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সামাজিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৫০-এর দশকে শবে কদরের মতো পবিত্র রজনীগুলো ছিল সামাজিক সংহতির বড় মাধ্যম। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের সময়ও ধর্মীয় উৎসবগুলোতে মানুষের মধ্যে ঐক্যের চেতনা কাজ করত। ১৯৭১-এর স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব দিবস পালনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশের’ প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের এই শবে কদর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক ও ধর্মীয় সহনশীলতার নীতির প্রতিফলন হিসেবে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এই শুভেচ্ছা বার্তাগুলো জনগণের মধ্যে এক ধরণের স্বস্তি ও সংহতি তৈরি করছে। ১৯৫০ সালে যা ছিল স্রেফ ব্যক্তিগত ইবাদতের বিষয়, ২০২৬ সালে তা রূপ নিয়েছে জাতীয় ঐক্য ও সমৃদ্ধির প্রার্থনায়।


সূত্র: ১. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি (১৬ মার্চ ২০২৬)।

২. বিএনপি মহাসচিবের অফিশিয়াল প্রেস উইং।

৩. জাতীয় আর্কাইভস: বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎসবের বিবর্তন ও প্রশাসনিক ভূমিকা (১৯৫০-২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency