স্পোর্টস ডেস্ক: ইন্টার মায়ামির হয়ে টানা ছয় ম্যাচে ন্যাশভিল এসসির জাল কাঁপিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি। তবে এবার যেন তাকে বোতলবন্দি করে রাখল ন্যাশভিলের রক্ষণভাগ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ, ২০২৬) ভোরে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ১৬-এর প্রথম লেগের ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট—কোনোটিই করতে পারেননি মেসি। ফলে দুই দলের লড়াই শেষ হয়েছে গোলশূন্য ড্রয়ে।
ন্যাশভিলের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বল দখলে মায়ামি (৫৯ শতাংশ) এগিয়ে থাকলেও আক্রমণের ধার বেশি ছিল স্বাগতিকদেরই। মেসি পুরো ম্যাচে মাত্র একটি অন-টার্গেট শট নিতে সক্ষম হন, যা ৫৫তম মিনিটে ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রুয়ান শোয়াক চমৎকারভাবে রুখে দেন। গত বছরের ২৯ নভেম্বরের পর এটিই মেসির সবচেয়ে কম শটের ম্যাচ। এদিন তার পাসের সফলতার হার ছিল ৭৯ শতাংশ।
ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ন্যাশভিল। ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজার কর্নার থেকে রিড বেকার-হোয়াইটিংয়ের হেড ক্রসবারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে গেলে নিশ্চিত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার মায়ামি। যেখানে ন্যাশভিল ১১টি শটের ৫টিই লক্ষ্যে রেখেছিল, সেখানে মায়ামি মাত্র একটি শট লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সকার লিগের (MLS) ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৫০-এর দশকে আমেরিকায় ফুটবল বা সকার ছিল একেবারেই প্রান্তিক খেলা। ১৯৭০-এর দশকে পেলের আগমনে কিছুটা জোয়ার এলেও তা টেকসই হয়নি। তবে ২০২৪ সালে মেসির ইন্টার মায়ামিতে যোগদানের পর থেকে চিত্রপট বদলে যায়। ২০২৬ সালের বর্তমান সময়ে এসে এমএলএস এখন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় লিগ, যা ১৯৫০-এর দশকে অকল্পনীয় ছিল। ২০২৪ সালের আগস্ট বিপ্লব পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশে’ও মেসির এই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী, যেখানে ভোরের ঘুম ভেঙে কোটি ফুটবলপ্রেমী মেসির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায় থাকেন।
গোলহীন ড্র হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ভাগ্য এখন ঝুলে আছে দ্বিতীয় লেগের ওপর। আগামী ম্যাচে ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে ঘরের মাঠে ন্যাশভিলকে আতিথ্য দেবে ইন্টার মায়ামি। নিজেদের মাঠে মেসি-সুয়ারেজ জুটি আবারও স্বরূপে ফিরবেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: ১. কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ অফিশিয়াল ম্যাচ রিপোর্ট (১২ মার্চ ২০২৬)। ২. ইএসপিএন (ESPN) সকার ও এমএলএস নেটওয়ার্ক। ৩. জাতীয় আর্কাইভস: যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ও লিওনেল মেসির প্রভাব (২০২৪-২০২৬)।
বিশ্লেষক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
প্রতিটি খবর গভীর বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন ওয়েবসাইটে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |