| বঙ্গাব্দ

শাপলা ছাড়া কোনো প্রতীক মানবে না এনসিপি: নির্বাচন কমিশনকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচার’ বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-10-2025 ইং
  • 2934405 বার পঠিত
শাপলা ছাড়া কোনো প্রতীক মানবে না এনসিপি: নির্বাচন কমিশনকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচার’ বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবির ক্যাপশন: হাসনাত আব্দুল্লাহ

শাপলা ছাড়া কোনো প্রতীক মানবে না এনসিপি: নির্বাচন কমিশনকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচার’ আখ্যা হাসনাত আব্দুল্লাহর

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ঢাকা: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন,

“আমরা শাপলা ছাড়া কোনো প্রতীক মানব না। কমিশন যদি জোর করে অন্য প্রতীক চাপিয়ে দিতে চায়, এনসিপি তা প্রত্যাখ্যান করবে।”

রোববার (১৯ অক্টোবর) প্রতীক পছন্দের শেষ দিনে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।


🔹 “শাপলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই”

হাসনাত বলেন,

“আমাদের শাপলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত কেন আমাদের প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করেনি তার কোনো আইনগত ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। এটি স্পষ্ট করে দেয়, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রাজনৈতিক দলকে অবমূল্যায়ন করছে।”

তিনি আরও বলেন,

“নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে তারা একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে। কোন ভিত্তিতে প্রতীক অনুমোদন দেওয়া বা না দেওয়া হচ্ছে—সেটা পরিষ্কার নয়। কমিশনের আচরণ ‘মধ্যযুগীয় রাজা-বাদশার’ সিদ্ধান্তের মতো, যেখানে জবাবদিহিতা অনুপস্থিত।”


🔹 “রিমোট কন্ট্রোল আগারগাঁওয়ে নেই”

হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন,

“নির্বাচন কমিশন নিজের সিদ্ধান্তে নয়, বাহ্যিক প্রভাবের অধীনে চলছে। মনে হয় রিমোট কন্ট্রোল আগারগাঁওয়ে নয়, অন্য কোথাও। এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণ চলতে থাকলে সাবেক সিইসি নুরুল হুদার পরিণতি এ কমিশনেরও হতে পারে।”

তিনি বলেন,

“আমরা জানি ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশনের আচরণ দেখে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—এই কমিশনের পক্ষে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়। তারা মেরুদণ্ডহীন ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত।”


🔹 এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট

এনসিপি জানিয়েছে, তারা “শাপলা প্রতীক” নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত এবং অন্য কোনো প্রতীক গ্রহণ করবে না।
দলটি মনে করে, প্রতীক ইস্যুটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং “রাজনৈতিক বৈষম্যের প্রতিফলন”

হাসনাত বলেন,

“নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো দেখে মনে হয়, তারা যে দল বা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগ পেয়েছে, সেই স্বার্থই রক্ষা করছে। আমরা জনগণের ম্যান্ডেট চাই—কিন্তু শাপলা ছাড়া নয়।”


🔹 বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এনসিপির পরপরই উত্তরাঞ্চলীয় নেতা সারজিস আলম ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, দলটি প্রতীক ইস্যুকে কেন্দ্র করে “রাজনৈতিক মর্যাদা ও স্বাধীন অবস্থান” রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।
এটি নির্বাচন কমিশনের ওপরও নতুন চাপ তৈরি করছে, বিশেষ করে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে “অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন” আয়োজনের প্রশ্নে।


সূত্র:

  1. নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বৈঠক, আগারগাঁও (১৯ অক্টোবর ২০২৫)

  2. এনসিপি কেন্দ্রীয় দপ্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় সমন্বয় কার্যালয়
    3.现场 সাংবাদিক ব্রিফিং ও এনসিপির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency