| বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতা আবদুল হালিম: নির্বাচনের রায় মানতে হবে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 22-09-2025 ইং
  • 3165131 বার পঠিত
জামায়াত নেতা আবদুল হালিম: নির্বাচনের রায় মানতে হবে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়
ছবির ক্যাপশন: জামায়াত নেতা আবদুল হালিম

জামায়াত নেতা আবদুল হালিম: “নির্বাচনের রায় মানতেই হবে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়”

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেছেন, শুধু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করলেই চলবে না; বরং নির্বাচনের ফলকেও মেনে নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, “নির্বাচনের জন্য মুখে যত ফেনা তুলতেছি, ভোটের রায় মানার ক্ষেত্রে যদি পিছনে থাকি, তাহলে হবে না। কে নির্বাচিত হবে, কে সরকার গঠন করবে—জনগণের ভোটেই সেটা নির্ধারিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের শর্ত হলো জনগণের রায়কে মেনে নেওয়া। সুষ্ঠু ভোটে নির্বাচিত সংসদ ও সরকারই আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠান প্রেক্ষাপট

এই বক্তব্য তিনি দেন সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়।
আলোচনা সভার শিরোনাম ছিল: “৭২ সংবিধান, রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ এর আইনি ভিত্তি প্রদান এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন”
অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে নাগরিক মঞ্চ। সভায় সভাপতিত্ব করেন নাগরিক মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী আহসান উল্লাহ শামিম

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন:

  • জাতীয় মুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার

  • ব্রি. জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আজমী

  • নাগরিক মঞ্চের সদস্য মেজর (অব.) ড. মাসুদুল হাসান

  • এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের প্রমুখ।


জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আবদুল হালিমের মন্তব্য

  • “জুলাই সনদ কোনো একক দলের দাবি নয়”—এখানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ছাড়াও তরুণ ছাত্রছাত্রী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের রক্তের ত্যাগ জড়িত রয়েছে।

  • তাই নির্বাচন আয়োজনের আগে এ সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

  • তিনি অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন,

    • ১৯৯১ সালে বিএনপি কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে ক্ষমতায় এসেছিল—১৭৩ দিন হরতালের পর এ ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়।

    • ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগও কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসে।

    • কিন্তু ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ কেয়ারটেকার ব্যবস্থা বাতিল করে।

  • হালিমের ভাষায়, “জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন করলে জনগণ তা মেনে নেবে না।”

  • তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই হওয়া উচিত, তবে জুলাই সনদের আইন ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন মানা যাবে না


বিশ্লেষণ

আবদুল হালিমের বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে, বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী সনদকে বৈধতা দেওয়া ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না
একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটি বার্তা দিয়েছেন—শুধু নির্বাচনের দাবি নয়, বরং নির্বাচনের ফলাফলকেও সর্বজনীনভাবে মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

এই বক্তব্যে একটি দ্বৈত বার্তা পাওয়া যায়:

  1. গণতান্ত্রিক রায় মেনে নেওয়া অপরিহার্য

  2. জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়


সূত্র

  1. জাতীয় প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভার প্রতিবেদন (জাতীয় পত্রিকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫)

  2. নাগরিক মঞ্চ আয়োজিত আলোচনা সভার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

  3. সমসাময়িক রাজনৈতিক দলগুলোর সংবাদ কভারেজ (জাতীয় মুক্তি জোট, এনডিপি)

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency