| বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেফতার বাকপ্রতিবন্ধী সাইদ শেখের জামিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 02-09-2025 ইং
  • 3320449 বার পঠিত
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেফতার বাকপ্রতিবন্ধী সাইদ শেখের জামিন
ছবির ক্যাপশন: সাইদ শেখের জামিন

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেফতার বাকপ্রতিবন্ধী সাইদ শেখের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

প্রতিবেদক

বিডিএস বুলবুল আহমেদ


মূল প্রতিবেদন

ঢাকার একটি আদালত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া বাকপ্রতিবন্ধী সাইদ শেখের জামিন মঞ্জুর করেছেন। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামিনের পর তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। কারণ, সাইদ শেখের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন নেই।

ঘটনা প্রেক্ষাপট

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা সাধারণত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দায়ের করা হয়। তবে অভিযুক্ত সাইদ শেখ একজন বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় এ মামলা নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞরা নানা প্রশ্ন তুলেছেন।

এর আগে বাংলাদেশে মানবাধিকার কমিশনসহ বিভিন্ন সংগঠন দাবি করে আসছিল, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জড়ানো মামলাগুলো আদালতে বিশেষভাবে বিবেচনা করা উচিত। আইনজীবীরা বলছেন, জামিন পাওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হয়নি—বরং আদালত মনে করেছেন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার যৌক্তিকতা নেই।

আইনি বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় জামিন একটি সাংবিধানিক অধিকার। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মতো বিশেষ আইনে জামিন সাধারণত কঠোরভাবে বিবেচনা করা হয়। তবে আদালত যদি দেখেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ এখনো দুর্বল, কিংবা তিনি অসুস্থ বা বিশেষ পরিস্থিতিতে আছেন, সেক্ষেত্রে জামিন দেওয়া সম্ভব।

এ মামলার ক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তের শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী অবস্থার দিক বিবেচনা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপট

১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে নানা ধরনের বিশেষ আইন এসেছে—রাষ্ট্রদ্রোহ, বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন। ২০০৯ সালে প্রণীত ও পরবর্তীতে সংশোধিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও অভ্যন্তরীণ নাশকতা ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার বলেছে, এই আইন যেন ভিন্নমত দমনে ব্যবহার না হয়। ২০২৪–২৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ও বহু মানুষ এই আইনে গ্রেফতার হন, যা এখনো বিতর্কিত একটি প্রসঙ্গ।


সূত্র

  1. আদালত সূত্র, ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শুনানি)

  2. সন্ত্রাসবিরোধী আইন, বাংলাদেশ আইন কমিশন প্রতিবেদন (২০০৯–২০২৩)

  3. মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবেদন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও আইনজীবী সমিতি (২০২৪–২০২৫)

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency