| বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে ইউটিউব দেখে চুরির কৌশল শিখে ধরা পড়লো দুই যুবক

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-05-2025 ইং
  • 3734636 বার পঠিত
ঝিনাইদহে ইউটিউব দেখে চুরির কৌশল শিখে ধরা পড়লো দুই যুবক
ছবির ক্যাপশন: ঝিনাইদহে ইউটিউব দেখে চুরির কৌশল শিখে ধরা পড়লো দুই যুবক

ইউটিউবে চুরির কৌশল শিখে প্রথমবারেই ধরা খেল দুই যুবক, জনতার হাতে আটক হয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
আধুনিক প্রযুক্তি যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি অপরাধীদের কাছেও এটি হয়ে উঠেছে শেখার মাধ্যম। এমনই এক উদাহরণ দেখা গেছে ঝিনাইদহে, যেখানে ইউটিউবে মোটরসাইকেল চুরির কৌশল দেখে দুই যুবক চুরির পরিকল্পনা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালায়। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা প্রথমবারেই ধরা পড়ে যায় জনতার হাতে। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৫ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ শহরের দারুশ শেফা প্রাইভেট হাসপাতালের পাশে। স্থানীয়রা জানায়, দুই যুবক অনেকটা নিশ্চিন্তভাবেই একটি লাল রঙের মোটরসাইকেলের ঘাড়ের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর তারা হাইড্রোলিক তালা ভাঙার চেষ্টাও চালায়। কিন্তু এসময় আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকাবাসী তাদের আটক করে এবং ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে নেয়।

আটক হওয়া দুই যুবকের নাম রাসেল হোসেন (২০) এবং মিজান হোসেন। তারা দুজনেই ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় গড়িলা গ্রামের বাসিন্দা। রাসেল ফেটু মিয়ার ছেলে এবং মিজান আব্দুর রশিদের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে তারা চুরির কৌশল শিখেছিল। তাদের ধারণা ছিল, এই কৌশলে সহজেই মোটরসাইকেল চুরি করে বিক্রি করা সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তবে তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

মোটরসাইকেলের মালিক আরিফুল ইসলাম জানান, তিনি হাসপাতালের পাশেই কাজ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন মোটরসাইকেলের ঘাড়ের তালা ভাঙা। পরে তিনি স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, দুই চোরকে ধরে ফেলা হয়েছে এবং তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তদের হেফাজতে নেয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোটরসাইকেল চুরির জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি চাবি উদ্ধার করা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, “স্থানীয়রা দুই যুবককে আটক করে আমাদের খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এই ঘটনাটি আবারো প্রমাণ করে, প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার না করে যারা অপরাধে যুক্ত হয়, তাদের শেষ পরিণতি খুব একটা সুখকর হয় না। জনসচেতনতা ও পুলিশি তৎপরতার ফলে এমন অপরাধীরা সহজেই ধরা পড়ে, আর তাদের জন্য অপেক্ষা করে আইনানুগ শাস্তি।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency